গত মার্চ মাসে দেশের সীমান্ত এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৬৫ কোটি ৭৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালান পণ্য জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ১১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৮২ জন বাংলাদেশি, ৯ জন ভারতীয় ও ৩১৭ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
আজ বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানায় বিজিবি।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিজিবি জানায়, জব্দকৃত পণ্যের মধ্যে স্বর্ণ, বিপুল পরিমাণ শাড়ি, থ্রিপিস, তৈরি পোশাক, কাপড়, কসমেটিকস, ইমিটেশন গয়না, আতশবাজি, কাঠ, চা পাতা, সুপারি, কয়লা, পাথর, বালু, মোবাইল ফোন ও ডিসপ্লে, চশমা, জিরা, চিনি, খাদ্যসামগ্রী, পেঁয়াজ, রসুন, সার, কীটনাশক, চকলেট, পাথরের মূর্তি এবং বিভিন্ন ধরনের যানবাহন রয়েছে। এ ছাড়া অভিযানে একটি এসএমজি, একটি পিস্তল, ১৩টি ম্যাগাজিন, ৩৫ রাউন্ড গুলি, দুটি মাইনসহ অন্যান্য অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা, হেরোইন, এলএসডি, ফেনসিডিল, ক্রিস্টাল মেথ, বিদেশি ও দেশি মদ, বিয়ার, গাঁজা, সিগারেট, নেশাজাতীয় ট্যাবলেট ও সিরাপসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়েছে।
এসব অভিযানে মাদক ও চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ১১২ জনকে আটক করা হয়েছে। পাশাপাশি অবৈধভাবে সীমান্ত অতিক্রমের দায়ে ৮২ জন বাংলাদেশি, ৯ জন ভারতীয় ও ৩১৭ জন মিয়ানমারের নাগরিককে আটক করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
বিজিবি জানিয়েছে, সীমান্তে চোরাচালান ও মাদক পাচার রোধে তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।