হোম > জাতীয়

অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় দেখে থামলে চলবে না: আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি প্রধানমন্ত্রী

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আজ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন প্রধানমন্ত্রী। ছবি: পিএমও

কারও রাজনৈতিক পরিচয় বা প্রভাবশালী অবস্থান দেখে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে থেমে গেলে চলবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘আপনারা আইনের লোক, কোনো বিশেষ দলের নন। যে অপরাধী, তাকে অপরাধী হিসেবেই গণ্য করবেন।’

আজ সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি, সন্ত্রাস ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সরকার আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, প্রশাসনের প্রতিটি পদই গুরুত্বপূর্ণ। পদোন্নতি বা পছন্দের পদায়নের জন্য তদবির করা পেশাদারত্বের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। “যেখানে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেখানেই গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করতে হবে,” বলেন তিনি।

প্রযুক্তিনির্ভর অপরাধের বিস্তার তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখন পুলিশিং শুধু জেলা বা শহরভিত্তিক নয়; আন্তর্জাতিক সংঘবদ্ধ অপরাধও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। এ কারণে পুলিশ কর্মকর্তাদের আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ ও বহুমুখী সক্ষমতার অধিকারী হতে হবে।

বক্তব্যে তিনি বিগত দেড় দশকের শাসনামলে বিভিন্ন প্রকল্পে অনিয়ম ও অপচয়ের অভিযোগও তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে একটি বালিশ কেনা হয়েছে ৮০ হাজার টাকায়, ৩০ হাজার টাকার ড্রেসিং টেবিলের দাম দেখানো হয়েছে কয়েক লাখ টাকা। একইভাবে কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পে গাছ লাগানোর নামে ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ের অভিযোগও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খরচ ও ঋণের বোঝা দেশের মানুষের ওপর চাপছে। এই অর্থ সাশ্রয় করা গেলে পুলিশ বাহিনীর আবাসন, পরিবহন ও আইটি ইউনিটের উন্নয়নে ব্যবহার করা যেত।’

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসানের পর সৃষ্ট মব ভায়োলেন্সের ঝুঁকি পুলিশ ধৈর্য ও কৌশলের মাধ্যমে মোকাবিলা করেছে। তিনি বলেন, পুলিশের আচরণের ওপরই সরকারের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ভর করে।

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো ধরনের নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের নৈতিক দায়িত্ব।

রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মন্ত্রীদের জ্বালানি তেলের বরাদ্দ ৩০ শতাংশ কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিজেও ব্যক্তিগত ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছেন বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, সততা, মেধা ও দক্ষতাই হবে নিয়োগ ও বদলির একমাত্র মাপকাঠি। পর্যায়ক্রমে পুলিশের সুযোগ-সুবিধা বাড়ানোরও আশ্বাস দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিটি মেয়ের ভবিষ্যৎ গড়ায় রাষ্ট্র হবে সহায়ক শক্তি: ডা. জুবাইদা রহমান

পুলিশের জন্য এখনই এভিয়েশন ইউনিট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে স্থানান্তর হচ্ছে আহমদ ছফার কবর

রাঙামাটির চাকমা সার্কেল চিফ দেবাশীষ রায়ের স্ত্রীকে সতর্ক করল জেলা প্রশাসন

সশস্ত্র বাহিনীর মতো স্বতন্ত্র পে স্কেল দাবি পুলিশের

পুলিশের জঙ্গিবিরোধী ইউনিট থাকছে না

অব্যবহৃত ৬ শিশু হাসপাতাল দ্রুত চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, ২ জুনের মধ্যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন

হামের চিকিৎসায় জেলা–উপজেলায় বিশেষায়িত ইউনিট স্থাপন চেয়ে রিট

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৫০৯০৪ বাংলাদেশি হজযাত্রী, মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের