হোম > জাতীয়

ঢাকা-গোপালগঞ্জ রুটে কমিউটার ট্রেন

ঢাকার চাপ কমাতে কমিউটার ট্রেন নেটওয়ার্ক বাড়ানোর পরিকল্পনা: শেখ রবিউল আলম

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

কমলাপুর রেলস্টেশনে ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী নতুন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ছবি: আজকের পত্রিকা

ঢাকার ওপর জনসংখ্যা ও কর্মসংস্থানের চাপ কমাতে রাজধানীর আশপাশের জেলাগুলোকে দ্রুত কমিউটার ট্রেন নেটওয়ার্কের আওতায় আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সড়ক, রেল ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেছেন, লক্ষ্য হচ্ছে এমন একটি যোগাযোগব্যবস্থা গড়ে তোলা, যাতে ঢাকার বাইরের মানুষ দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে রাজধানীতে এসে একই দিনে কাজ শেষ করে নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারেন।

আজ সোমবার ঢাকা থেকে গোপালগঞ্জগামী নতুন ‘অভিযাত্রী কমিউটার’ ট্রেন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কমলাপুর রেলস্টেশনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘বিশেষ করে, দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার মধ্যে যাতায়াত করে ঢাকার বাইরের লোক ঢাকায় আসতে পারবে এবং একই দিনে ব্যবসা বা চাকরির কাজ শেষ করে আবার নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবে। ঢাকার ওপর চাপ কমানো এবং আশপাশের অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ সহজ করাই আমাদের লক্ষ্য।’

মন্ত্রী জানান, নতুন কমিউটার ট্রেনটি দক্ষিণাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার সংযোগ জোরদার করবে এবং এর শেষ গন্তব্য গোপালগঞ্জ। ট্রেনটিতে বর্তমানে আটটি কোচ রয়েছে। এতে প্রায় ৬০৯ জন বসে ভ্রমণ করতে পারবেন। দাঁড়িয়ে যাত্রীর সংখ্যাও ধরলে ১ হাজার ৫০০ জনের বেশি যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে।

শেখ রবিউল আলম বলেন, কোচের সংখ্যা আরও বাড়ানো গেলে ধারণক্ষমতা অনেক বাড়বে। এতে ঢাকার প্রতি চাপ কমবে এবং কাছাকাছি অঞ্চলের মানুষের যোগাযোগ আরও স্মুথ হবে।

নারায়ণগঞ্জ রুটে ১৬ জোড়া ট্রেন চালানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রুটে আট জোড়া ট্রেন চলাচল করছে। চলমান অবকাঠামোগত কাজ শেষ হলে ১৬ জোড়া ট্রেন চালানোর সুযোগ তৈরি হবে। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জের পর ঢাকা-নরসিংদী, ঢাকা-টঙ্গী, জয়দেবপুর, টাঙ্গাইল পর্যন্ত কমিউটার সেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে মানিকগঞ্জকেও এই নেটওয়ার্কে যুক্ত করার ইচ্ছা আছে।

নতুন ট্রেনটি পথে আটটি স্টেশনে থামবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, এর ফলে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের মানুষ সহজে ঢাকায় আসতে পারবেন এবং একই দিনে কাজ সেরে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তিনি এই উদ্যোগকে যোগাযোগব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন ও বিকেন্দ্রীকরণের (ডিসেন্ট্রালাইজেশন) প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে উল্লেখ করেন।

কোচ ও লোকোমোটিভ সংকটের কথা স্বীকার করে রেলওয়ের বিদ্যমান সীমাবদ্ধতার কথাও তুলে ধরেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পর্যাপ্ত কোচ ও লোকোমোটিভ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে অনেক রুটে কাঙ্ক্ষিত সেবা চালু করা সম্ভব হয়নি। আমাদের লোকোমোটিভ এবং কোচ আসছে। যাত্রীদের যে চাহিদা ও চাপ আছে, সেই অনুপাতে পর্যায়ক্রমে কোচ ও লোকোমোটিভ যুক্ত করে মনোরম পরিবেশে ট্রেনযাত্রা নিশ্চিত করা যাবে।’

মন্ত্রী জানান, পুরোনো রেললাইন ও পুরোনো লোকোমোটিভ ব্যবহারের কারণে কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি রয়েছে। ১৯৩০ ও ১৯৪০ সালের অনেক রেললাইন এখনো ব্যবহৃত হচ্ছে, সেগুলো ধাপে ধাপে মেরামত ও প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, ইচ্ছা করলেই সব পুরোনো লাইনে পর্যাপ্ত ট্রেন বা বেশি লোডের ট্রেন চালানো যায় না। ক্রমাগত রিপ্লেসমেন্ট ও মেরামতের কাজ চলছে।

ট্রেন উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এবং রেল মন্ত্রাণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, রেল মন্ত্রাণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম, রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেনসহ রেলের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

ভিসার শ্রেণি বাড়িয়ে নতুন নীতিমালা করল সরকার

স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও থাকছে না পোস্টার, আচরণবিধি চূড়ান্ত করল ইসি

ব্যবসা-বিনিয়োগের পরিবেশ সহজ করতে জাতীয় টাস্কফোর্স

বেসরকারি হাসপাতাল-ক্লিনিকের লাইসেন্সের মেয়াদ দ্বিগুণ করল সরকার

প্রবাসীদের টাকা ও জীবনের সুরক্ষার জন্যই চালু হচ্ছে ‘প্রবাসী কার্ড’: নুরুল হক

এস এম সুলতান পৃথিবীতে একজন অনন্য চিত্রশিল্পী: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় সাবেক এমপি আক্তারুজ্জামান তিন দিনের রিমান্ডে

তথ্যমন্ত্রীর গ্ৰামের বাড়িতে ভাজা ইলিশ–রসমালাইয়ের স্বাদে আপ্লুত মার্কিন রাষ্ট্রদূত

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে ‘ফ্রেশ স্টার্ট’ চান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

টিভিতে সংঘাতের ফুটেজ দেখালে সারা জীবনের জন্য বন্ধ করা হবে—ওবায়দুল কাদেরকে আরাফাত