ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির আজ তৃতীয় দিন। আজ শুক্রবার দেওয়া হচ্ছে ঈদযাত্রার ২৫ মের অগ্রিম টিকিট। ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু হওয়ায় এদিনের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি।
আজ সকাল ৮টায় পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। টিকিট বিক্রির প্রথম ৩০ মিনিটেই ওয়েবসাইট ও অ্যাপে ১৬ হাজার ২৫৫টি টিকিট কাটতে ১ লাখ ৫৪ হাজার হিট করেছেন টিকিটপ্রত্যাশীরা।
রেলওয়ের এই তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গড়ে ৯-১০ জন প্রতিটি টিকিটের জন্য চেষ্টা করেছে। কিন্তু টিকিট মিলছে মাত্র একজনের।
রেলওয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২৫ মে ঢাকা থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে ছেড়ে যাওয়া ট্রেনগুলোর আসনসংখ্যা ৩২ হাজার ৭২৯টি। এর মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি ট্রেনের মোট আসন ১৬ হাজার ২৫৫টি এবং পূর্বাঞ্চলের ২৪টি ট্রেনের আসন ১৬ হাজার ৪৭৫টি। আর সারা দেশের ট্রেনগুলোর মোট আসনসংখ্যা ১ লাখ ৭৩ হাজার ২১২টি।
এর মধ্যে সকাল ৯টা পর্যন্ত ঢাকা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ১৬ হাজার ১৬৭টি আসন বিক্রি হয়েছে।
এদিকে আগামী ২৫ মে বাংলাদেশ রেলওয়ের পূর্বাঞ্চলে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর আসনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে আজ বেলা ২টায়।
রেলের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২৫ মের টিকিটের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। ওই দিন থেকে সরকারি ছুটি শুরু হচ্ছে। সবাই ২৫ তারিখেই যেতে চাইছেন। ফলে আধা ঘণ্টার মধ্যে পশ্চিমাঞ্চলের বেশির ভাগ টিকিট শেষ হয়ে গেছে। বরাবরের মতো উত্তরাঞ্চলের ট্রেনের টিকিটের চাহিদা সর্বোচ্চ ছিল। এ ছাড়া গত কয়েক দিনের টিকিট বিক্রিতে অনলাইনে যে হিট পড়েছে, সেটা আজ সকালে সর্বোচ্চ ছিল।
রেলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল শনিবার বিক্রি হবে ২৬ মের ঈদযাত্রার টিকিট। সর্বশেষ ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মের টিকিট। ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন রুটে ১০টি বিশেষ ট্রেনও চালানো হবে।
রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদের অগ্রিম যাত্রার ক্ষেত্রে একজন যাত্রী একবারই টিকিট কিনতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ চারটি টিকিট কেনা যাবে। এসব টিকিট ফেরত দেওয়া যাবে না। যাত্রার দিন মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ছাড়া) স্টেশনের কাউন্টার থেকে বিক্রি করা হবে।