হোম > জাতীয়

বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন: মাহবুব উদ্দিন খোকন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন। ফাইল ছবি

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেছেন, ‘বিচার বিভাগের দুর্নীতি নিয়ে সবাই উদ্বিগ্ন। মামলা তালিকায় আনতে, শুনানি করতে, তদবির করতে দুর্নীতি। তাই আমি মনে করি এটা আমার দায়িত্ব, প্রধান বিচারপতির নিকট দাবি করা। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগকে সর্বক্ষেত্রে দুর্নীতিমুক্ত করতে হবে। মামলা করার সময় যদি তদবির করতে হয়, সব জায়গায় টাকা দিতে হয়- এটা তো দুঃখজনক ব্যাপার। অনেক আগেই আমি এই বিষয়টি উপস্থাপন করেছি।’

সুপ্রিম কোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে আজ বৃহস্পতিবার প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন বারের সভাপতি। তিনি বলেন, ‘প্রধান বিচারপতির নিকট দাবি করছি, সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগ ও নিম্ন আদালত দুর্নীতিমুক্ত করা হোক। সেই সঙ্গে যেসব বিচারবিভাগীয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে তাদের বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। পাশাপাশি গত ১৭ বছরে সুপ্রিম কোর্টের অনেক বিচারপতির আচরণ ছিল রাজনৈতিক। আড়াই বছর হয়ে গেছে। তাঁরা এখনো সুপ্রিম কোর্টে বহাল তবিয়তে আছেন। আমি দাবি করি, তাঁদের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে প্রেরণ করা হোক।’

মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট সর্বোচ্চ আদালত। এখানে বস্তি থাকবে কেন? আইনজীবীদের বসার জায়গা নেই। আমি দাবি করব, সুপ্রিম কোর্ট থেকে বস্তি উচ্ছেদ করতে হবে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে। বস্তি উচ্ছেদ করে এখানে আইনজীবীদের বসার ব্যবস্থা করতে হবে। আইনজীবীদের জন্য ভবন করতে হবে। এক মাসের মধ্যে যদি না করা হয় সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীরা পদক্ষেপ নেবেন। আপিল বিভাগে কমপক্ষে তিনটা বেঞ্চ করতে হবে।’

বার সভাপতি বলেন, ‘দুঃখের সঙ্গে বলছি, যে জুনিয়র আইনজীবীর ওপর পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে, এখনো তা প্রত্যাহার করা হয়নি। এ ব্যাপারে আমরা আইনজীবীরা আরও আলোচনা করব। পরবর্তীতে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় আমরা জানাব।’

অ্যাটর্নি জেনারেল এবং আইনমন্ত্রীর দিক থেকে বক্তব্য এসেছে, সেদিন আপিল বিভাগে আপনার দিক থেকে যা হয়েছে এটা ঠিক হয়নি-এমন বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে বার সভাপতি বলেন, ‘আমি সুপ্রিম কোর্ট বারের প্রেসিডেন্ট। আমি আইনজীবীর কথা বলব, বিচারকের কথা বলব প্রধান বিচারপতির নিকট। এখানে অ্যাটর্নি জেনারেলের বক্তব্য অপ্রাসঙ্গিক ও অপ্রত্যাশিত। আমি আশ্চর্য হয়ে গেলাম, উনি (অ্যাটর্নি জেনারেল) সুপ্রিম কোর্টের সেক্রেটারি ছিলেন। উনি কী করে আইনজীবীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন?’