হোম > জাতীয়

একটি চক্র বড় পেশাজীবীদের টার্গেট করে চাঁদাবাজি করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢামেক প্রতিবেদক

ঢামেক হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। ছবি: আজকের পত্রিকা

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ‘একটি সংঘবদ্ধ চক্র হাসপাতালের বড় বড় ডাক্তার বা অন্য বড় পেশাজীবীদের টার্গেট করে ভয়ভীতি দেখিয়ে, আঘাত ও হামলা চালিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছে। এরা হয়তো চাঁদাবাজি করে রাতারাতি কোটিপতি হতে চায়।’

আজ শনিবার বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে দেখে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এর আগে ১৭ আগস্ট রাতে রাজধানীর শান্তিনগরে ৪-৫ জন সন্ত্রাসী ঢামেক অধ্যাপক ডা. আসাদুর রহমানের ওপর হামলা চালায়।

ডা. আসাদুর রহমানকে দেখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের হামলায় ডা. আসাদুর রহমান চোখসহ শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রচণ্ড আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন। এ হামলার দুই দিনের মধ্যে সন্ত্রাসী চক্রের সাতজনের মধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি।’

পুলিশের প্রশংসা করে সালাউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘পুলিশ ও ডিবির সদস্যরা একজনকে লক্ষ্মীপুর ও তিনজনকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে তাঁদের আরও কাজ বাকি আছে। এসব সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ, মাদক কারবারিদের নির্মূল করতে হবে। এ বিষয়ে যারা ব্যর্থ হবে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সরকারকে অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ফেলতে কোনো চক্র এসব কার্যক্রম পরিচালনা করছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ ঘটনার পেছনে সরকারকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা নেই। এরা হয়তো চাঁদাবাজি করে রাতারাতি কোটিপতি হতে চায়। এরা চিহ্নিত সন্ত্রাসী, দাগি আসামি এবং গডফাদারদের নাম ব্যবহার করে অপকর্ম করে।’

হামলার মূল হোতা সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পুলিশ মূল হোতাকে ধরতে পেরেছে। জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, সে বিদেশে হুন্ডির ব্যবসা করত, লস দিয়েছে। এখন কিছু সন্ত্রাসীকে একত্র করে একটা সংগঠন করেছে। তারা ধনাঢ্য ব্যক্তি, পেশাজীবী, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার এমন বড় বড় ব্যক্তিদের টার্গেট করছে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এগুলো নির্মূল হয়ে যাবে। আমরা শুধু চাঁদাবাজদের তালিকা করছি না। চাঁদাবাজদের সঙ্গে কোনো পুলিশ সদস্য জড়িত থাকলে তাদেরও তালিকা হবে।’