হোম > জাতীয়

পরীমণি ইস্যুতে বাধ্যতামূলক অবসরে এডিসি সাকলায়েন

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

ফাইল ছবি

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) এবং বর্তমানে ঝিনাইদহ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. গোলাম সাকলায়েন শিথিলকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে নৈতিকতাবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের অভিযোগে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিভাগীয় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

সাকলায়েন শিথিল ২০২১ সালে ঢাকার অদূরে আশুলিয়ার বিরুলিয়ায় বোট ক্লাবে চিত্রনায়িকা পরীমণির করা ধর্ষণচেষ্টা ও নির্যাতনের মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একই সময়ে র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হওয়ার পর পরীমণির বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মাদক মামলার অনুসন্ধানেও তিনি সম্পৃক্ত ছিলেন। ওই সময় গণমাধ্যমে সাকলায়েন ও পরীমণির ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের বিষয়টি ব্যাপক আলোচনায় আসে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিবির গুলশান বিভাগে কর্মরত অবস্থায় একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তা হয়েও গোলাম সাকলায়েন সরকারি দায়িত্বের বাইরে গিয়ে চিত্রনায়িকা পরীমণির সঙ্গে নৈতিকতাবহির্ভূত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক স্থাপন করেন। তিনি বিবাহিত এবং এক সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও পরীমণির সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক, জন্মদিন উদ্‌যাপন এবং সরকারি বাসভবনে স্ত্রীর অনুপস্থিতিতে সময় কাটানোর মতো ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এতে সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ আনা হয়।

এই ঘটনায় ২০২৩ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৩(খ) বিধি অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’-এর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযোগনামা ও অভিযোগ বিবরণী পাঠিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলে তিনি ২০২৩ সালের ১৯ মার্চ জবাব দেন এবং ব্যক্তিগত শুনানির আবেদন করেন। পরে ওই বছরের ২৩ আগস্ট তাঁর ব্যক্তিগত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

কারণ দর্শানোর জবাব, ব্যক্তিগত শুনানি এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য-উপাত্ত পর্যালোচনার পর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় গুরুদণ্ড আরোপের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়। এরপর সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর বিধি ৭(২)(ঘ) অনুযায়ী ২০২৩ সালের ৩০ আগস্ট একজন তদন্তকারী কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয়।

তদন্ত শেষে ২০২৪ সালের ১৩ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা-২ শাখা থেকে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে সাকলায়েনকে ‘গুরুদণ্ড’ হিসেবে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর বিষয়ে মতামত চাওয়া হয়। ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, মোবাইল ফোনের ফরেনসিক বিশ্লেষণে বিভিন্ন সময়ে পরীমণির বাসায় সাকলায়েনের অবস্থানের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

২০২১ সালের ১৩ জুন বোট ক্লাবের ঘটনার পর পরীমণি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগে মামলা করেন। মামলার পরদিন নাসির উদ্দিন মাহমুদকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে পরীমণিকে ডিবি কার্যালয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হলে সেখানেই তাঁর সঙ্গে গোলাম সাকলায়েনের পরিচয় হয়। পরে তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ তদন্ত ও বিভাগীয় প্রক্রিয়া শেষে অবশেষে গোলাম সাকলায়েন শিথিলকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করল সরকার।

প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ এর প্রতিফলন এই বাজেট: সংসদে আইনমন্ত্রী

‘ঋণখেলাপিদের সংসদ’ নিয়ে সরকারি–বিরোধী দলের বিতর্ক

সুন্দরবনে দস্যুতা, মাদক ও মানব পাচার দমনে কঠোর অবস্থানে কোস্ট গার্ড: মহাপরিচালক

বিএমএ ৯০তম ব্যাচে কমিশন পেলেন সেনাবাহিনীর ১৮৪ ক্যাডেট

বাজেটের বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়ে সংশয় রয়েছে: সংসদে রুমিন ফারহানা

প্রধানমন্ত্রীর সামনে বক্তব্যের সুযোগ না পাওয়ায় ক্ষোভ সেলিম ভূঁইয়ার

‘জঙ্গি নাটক’ সাজিয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়েছিল: জবানবন্দি

এখন কি আমরা বলব—সবার আগে বগুড়া: সংসদে আতিক মোজাহিদ

চিত্রশিল্পী মুস্তাফা মনোয়ার আইসিইউতে

মুতা বিয়ে, মামুনুল হককে নিয়ে সংসদে যা বললেন স্পিকার