এক বছর হওয়ার আগে সন্তান নিয়ে বিমানযাত্রা না করাই ভালো। তবে এর আগে যদি জরুরি কোনো কাজে বিমানে চড়তেই হয়, তাহলে সতর্ক থাকতে হবে। ভ্রমণের আগে মানসিক প্রস্তুতি তো নেবেনই, সঙ্গে আরও কয়েকটি বিষয় মনে রাখলে সফর অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে।
হাঁটতে শেখেনি এমন ও নির্দিষ্ট ওজনের শিশুদের জন্য বিমানে বেসিনেট বুক করার ব্যবস্থা থাকে। এতে দীর্ঘ যাত্রায় শিশুরা আরামে ঘুমাতে পারে। সম্ভব হলে আগেই বুকিং দিয়ে রাখুন বা টিকিট কাটার সময় খোঁজখবর নিন।
শিশুকে নিয়ে সিটে বসতে হলে জানালার ধারের সিটে যিনি বসবেন, তাঁর কোলে রাখাই ভালো। এতে খাবার, স্ন্যাকস বা কফি দেওয়া-নেওয়ার সময় শিশুর গায়ে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে না।
বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের সময়ে বড়দেরও কান বন্ধ হয়ে যায় বা ব্যথা করে। এই সময় তাই শিশুকে দুধ পান করালে বা প্যাসিফায়ার মুখে দিয়ে দিলে কানের ভেতরের চাপ কমে ও কানে ব্যথা হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
ভ্রমণের সময় শিশুকে পাতলা ও আরামদায়ক জামাকাপড় পরাতে হবে। বিমানে ওঠার আগেই ডায়াপার বদলে নিন। অতিরিক্ত দু-তিন সেট পোশাক ও গা ঢাকার কাপড় সঙ্গে রাখুন।
দীর্ঘক্ষণ বদ্ধ জায়গায় থেকে শিশু অস্থির হয়ে কান্নাকাটি করতে পারে। তাই আগে খেলেনি—এমন মজার ছোট খেলনা বা দরকার পড়লে ট্যাবে কার্টুন অন করে দিতে পারেন।
সূত্র: দ্য বাম্প