হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

ওরাল মাইক্রোবায়োমের যত্নে যা খাবেন, খাবেন না

ফিচার ডেস্ক

কথায় বলে, দাঁত থাকতে দাঁতের মর্যাদা বুঝতে হয়। দাঁত ভালো রাখার জন্য কি শুধু দাঁতের যত্ন নিয়ে থেমে গেলে চলবে? আমাদের মুখে প্রায় ৭০০ প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাঙ্গাস নিয়ে একটি জটিল অণুজীবের সমাজ বা ওরাল মাইক্রোবায়োম আছে। তাই শুধু দাঁত পরিষ্কার রাখাই যথেষ্ট নয়। সঠিক খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে এই উপকারী ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখা সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

যা খাবেন

সবুজ শাকসবজি: পালংশাক, বিট, ক্যাবেজ ও মুলা জাতীয় নাইট্রেট-সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান। এগুলো রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং মুখের উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়।

পলিফেনল-যুক্ত খাবার: মধু ও গ্রিন টি বা লাল-চা পান করুন। এগুলোতে থাকা পলিফেনল দাঁতে প্লাক বা ময়লা জমতে দেয় না।

চিজ ও ফার্মেন্টেড খাবার: চিজ বা পনির খেলে মুখে লালা নিঃসরণ বাড়ে। এগুলো ক্ষতিকর অ্যাসিড নিষ্ক্রিয় করে। এ ছাড়া কেফির বা দইয়ের মতো ফার্মেন্টেড খাবার ক্ষতিকর জীবাণু দূর করে।

কাঁচা রসুন চিবানো: রসুনে থাকা অ্যালিসিন নামের উপাদানটি মাড়ির রোগ ও ক্যাভিটি সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করতে দারুণ কাজ করে।

সঠিকভাবে দাঁতের যত্ন: দিনে দুবার ব্রাশ করার পাশাপাশি নিয়মিত ফ্লসিং করুন এবং জিহ্বা পরিষ্কার রাখুন।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস: খাদ্যতালিকায় শাকসবজি, ফলমূল, শস্য দানাদার খাবার ও হেলদি ফ্যাট বেশি রাখুন।

যা খাবেন না

অতিরিক্ত চিনিযুক্ত খাবার ও পানীয়: সোডা, প্যাকেটজাত জুস, মিষ্টি ও ক্যান্ডি এড়িয়ে চলুন। এগুলো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে দাঁত ক্ষয় করে।

প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট: সাদা পাউরুটি, বিস্কুট, ক্র্যাকার্স ও কেক সীমিত করুন। এগুলো মুখে দ্রুত চিনিতে পরিণত হয়ে এনামেল নষ্ট করে।

অতিরিক্ত লাল মাংস: মাত্রাতিরিক্ত লাল মাংস খেলে তা মাড়ির রোগের জীবাণু বৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারে।

অপ্রয়োজনীয় মাউথওয়াশের ব্যবহার: অ্যান্টিসেপটিক বা কড়া মাউথওয়াশ অতিরিক্ত ব্যবহার করলে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার পাশাপাশি মুখের দরকারি ও উপকারী ব্যাকটেরিয়াও ধ্বংস হয়ে যায়।

সূত্র: বিবিসি