হোম > জীবনধারা > জেনে নিন

৩ থেকে ১২ বছরের শিশুদের যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাবেন

ফিচার ডেস্ক

ছবি: সংগৃহীত

কোনো স্পষ্ট রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ না থাকা সত্ত্বেও সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি বা জটিল এড়াতে আগেই রোগ শনাক্ত করার চিকিৎসাবিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা হলো হেলথ স্ক্রিনিং। এটি প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শিশুদের সঠিক শারীরিক ও মানসিক বিকাশের জন্য ৩ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা বা ব্যাক-টু-স্কুল চেকআপ অত্যন্ত জরুরি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়মিত স্ক্রিনিংয়ের গুরুত্ব বাড়ে। কিছু পরীক্ষা নির্দিষ্ট বছর পরপর করতে হয়, আবার কিছু টেস্ট জীবনকালে মাত্র একবার করা হতে পারে।

শারীরিক ও ভাইটাল সাইন পরীক্ষা

ভাইটাল সাইন: রক্তচাপ, রক্তে শর্করা বা সুগারের মাত্রা এবং হৃৎস্পন্দন পরীক্ষা করা।

শারীরিক পরীক্ষা: সামগ্রিক শারীরিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে বডি মাস ইনডেক্স এবং ত্বকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।

দাঁতের যত্ন: দাঁত, মাড়ি, জিব এবং চোয়ালের সুস্থতা নিশ্চিত করতে বছরে অন্তত একবার ডেন্টিস্ট দেখানো।

স্নায়বিক ও ইন্দ্রিয়ভিত্তিক পরীক্ষা

  • শিশুর নার্ভ রিফ্লেক্স, কথা বলার দক্ষতা বা ভাষার বিকাশ এবং স্মৃতিশক্তি পরীক্ষা।
  • প্রতি ২ বছরে অন্তত একবার চোখ বা দৃষ্টিশক্তির টেস্ট করানো।
  • অডিওগ্রামের মাধ্যমে কান ও শোনার ক্ষমতা ঠিক আছে কি না, তা পরীক্ষা করা।
  • প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসার সাফল্য ও দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।

সূত্র: হেলথ লাইন