বলিউড তারকা আলিয়া ভাটের কাছে ত্বকের যত্ন তাঁর দৈনন্দিন রুটিনের অপরিহার্য অংশ। তাঁর অসাধারণ রূপ সবাইকে মুগ্ধ করে। এর রহস্য লুকিয়ে আছে সহজ রুটিনের মধ্যে, যা তিনি কোনো ভুল না করে মেনে চলেন। নিজের ইউটিউব চ্যানেলের একটি ভিডিওতে এই তারকা তাঁর ত্বকের যত্নের রুটিনের বিস্তারিত ধাপগুলো জানিয়ে দিয়েছেন। তিনি যে পণ্যগুলো ব্যবহার করেন, সেগুলোর একটি তালিকাও দিয়েছেন তাতে। আলিয়া ভাটের ভ্যানিটি থেকে এমন ৫টি অত্যাবশ্যকীয় সৌন্দর্য পণ্য সম্পর্কে জেনে নিন।
আলিয়া ভাটের ত্বকযত্নের রুটিনের প্রথম ধাপ হলো তাঁর গালের হাড় এবং চোয়ালের রেখা বরাবর একটি জেড রোলার ব্যবহার করা। এটি ত্বক শীতল করতে, রক্তসঞ্চালন বাড়াতে এবং ক্লান্তির ছাপ কমাতে সাহায্য করে।
আলিয়া কর্মব্যস্ত দিন পার করেন। ফলে প্রায়ই তাঁর ঘুম কম হয়। এর ফল হিসেবে চোখের নিচে কালো দাগ পড়ে। আর এখানেই একটি ভালো আন্ডার আই ক্রিম খুব কাজে আসে। এটি চোখের চারপাশের শুষ্কতা কমাতেও সাহায্য করে। তিনি চোখের মেকআপে অন্য যেকোনো প্রসাধনী ব্যবহারের আগে আই ক্রিম ব্যবহার করেন এবং পরবর্তী ধাপে যাওয়ার আগে আগে এটিকে কিছুক্ষণ ত্বকে বসে যেতে দেন।
আলিয়া ভাট তাঁর স্কিন কেয়ার রুটিনে ফাইন লাইন কমাতে এবং ত্বক দূষণ থেকে রক্ষা করতে নিয়াসিনামাইডের কথা বলেন। এটি ত্বক পুনরুজ্জীবিত করতে এবং হাইড্রেট করতেও সাহায্য করে। ‘রাজি’ অভিনেত্রী ওয়াটারমেলন গ্লো নিয়াসিনামাইড ড্রপস ব্যবহার করেন।
তিনি মনে করেন, স্কিন কেয়ার রুটিনে ময়শ্চারাইজিং একটি অপরিহার্য ধাপ। দীর্ঘ শুটিংয়ের দিনগুলোতে ত্বক হাইড্রেটেড রাখতে তিনি খুব ভালোভাবে ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন। এই ডিভা মুখ, ঘাড় ও হাতে ওয়াটারমেলন জুস সমৃদ্ধ ময়শ্চারাইজার ব্যবহার করেন।
আলিয়া ভাটের স্কিন কেয়ার রুটিনের চূড়ান্ত এবং গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো সানস্ক্রিন। তিনি এটি সবখানে এটি ব্যবহার করেন। এমনকি সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি ত্বকের গভীরে প্রবেশ করে ক্ষতি করতে পারে বলে ঘরের ভেতরে থাকলেও ত্বকে সানস্ক্রিন ব্যবহারের পরামর্শ দেন। আলিয়া মেকআপ করার আগে তাঁর মুখ ও ঘাড়ে ব্রড-স্পেকট্রাম এসপিএফ ৫০ যুক্ত ফোটোপ্রোটেক্টর ফিউশন ওয়াটার সানস্ক্রিন ব্যবহার করেন।
সূত্র: পিংকভিলা