হোম > জীবনধারা

দই তৈরিতে ভুল নয়

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

অনেকেই ঘরে দই বানান। কীভাবে বানাতে হয় তা অনেকেই জানেন। ইউটিউব দেখে টক দই বানানো খুবই সহজ কাজ।  কিন্তু কিছু কৌশল না জানা থাকলে এ সহজ কাজটাই কঠিন হয়ে যায়। দোকানের মতো মসৃণ দই  তৈরি করতে চাইলে এই ৫ ভুল করবেন না।

অমসৃণ দই বীজের ব্যবহার
দই বীজ মসৃণ হলে দইও মসৃণ হবে। তা না হলে দানাদার হবে, যদিও এতে স্বাদের কোনো হেরফের হবে না।

ঘন ঘন নাড়াচাড়া করা
গাজন বা ফারমেন্টেশন-প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দই তৈরি হয়। তাই দই বসানোর পর ৫-৬ ঘণ্টা পাত্রটি নাড়াচাড়া করা যাবে না। তাতে গাজন বা ফারমেন্টেশন-প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। দই ভালো হবে না। গরম স্থানে দই তাড়াতাড়ি জমে। তাই ওভেনের ভেতর রাখতে পারেন।

যেকোনো দুধ ব্যবহার করা
দই বানানোর জন্য যেকোনো ধরনের, বিশেষ করে পুরোনো দুধ ব্যবহার করবেন না। যদি পুরোনো দুধ ব্যবহার করেন, তবে স্বাদ ভালো হবে না। তাই ভালো মানের দুধ ব্যবহার করতে হবে।

দুধের তাপমাত্রা পরীক্ষা না করা
ঘন দই বানানোর জন্য দই বসানোর আগে অবশ্যই দুধ গরম করে নিতে হবে। আঙুল ডোবানো যাবে এমন গরম দুধই দই বানানোর জন্য উপযুক্ত। গরম না করে দই বীজ মেশালে দই ঘন হবে না। পানির মতো পাতলা হবে। আবার ঘন করতে চাইলে আগুন-গরম দুধও ব্যবহার করা যাবে না।

দই বীজ সংরক্ষণ না করা
দই বানানোর পর কিছু অংশ আলাদা করে ফ্রিজে তুলে রাখুন। এতে পরে সে দই দিয়েই আবার নতুন করে দই বসাতে পারবেন। নইলে দই বীজ কিনে এনে ব্যবহার করতে হবে।

সূত্র: সালাদ ইন জার

জন্মশতবার্ষিকীতে প্রকাশিত হলো মেরিলিন মনরোর দুর্লভ ছবির বই, কী রয়েছে তাতে

পৃথিবীর বিষণ্নতম দেশ আফগানিস্তান, বাংলাদেশের অবস্থান কত

কমলা-কফির ঘ্রাণের বিজার সানশট

ওয়ার্ল্ড ফুড ফটোগ্রাফি ২০২৬: সেরা দশে বগুড়ার সবজি বাজারের ছবি

এস্তাদিও আজতেকার গল্প

এশিয়ার কোন দেশে কখন ভ্রমণ

মধ্য়প্রাচ্য়ের বিকল্প যেসব গন্তব্যে যাচ্ছে পর্যটকেরা

এভারেস্টে তিন রেকর্ড

স্বাদ ভ্রমণে এশিয়ার সেরা ৪

ঘরেই তৈরি করে নিন গরুর মাংসের আচার