খেলার নামটা হয়তো শুনেই থাকবে। বাংলাদেশের সবখানে খেলাটির প্রচলন রয়েছে। এটি সাধারণত মেয়েরাই বেশি খেলে। উঠান বা খোলা পরিসরে মাটিতে আঁচড় কেটে বড় আয়তাকার ঘর কাটা হয়। এই ঘরও হয় দুই রকমের। একটিতে আড়াআড়িভাবে ছয়টি খোপ করা হয়। অন্যটিতে ছয়টি ঘরের চার ও ছয় নম্বর খোপটিকে আবার মাঝখান থেকে দুই ভাগ করা হয়।
যেহেতু এক্কা-দোক্কা এক পায়ে ভর করে লাফিয়ে খেলতে হয়, তাই এখানে দুই ভাগবিশিষ্ট চার নম্বর খোপটি হচ্ছে বিশ্রামঘর। ছয়টি খোপের নাম হচ্ছে এক্কা, দোক্কা, তেক্কা, চৌক্কা, পক্কা ও লাষ্ঠি। মাটির ভাঙা হাঁড়ি, কাচের টুকরা ইত্যাদি হচ্ছে এক্কা-দোক্কা খেলার উপকরণ। এগুলোকে চাড়া বলে।
খেলাটি চাইলে একা বা দুজন মিলে খেলা যায়। তবে পাল্লা দিয়ে খেলতে গেলে দল ভারী হওয়া লাগে। খেলার সময় এক এক করে প্রতিটি ঘরে চাড়া ফেলে এক পায়ে ভর করে লাফিয়ে এক খোপের চাড়া পায়ের আঙুলের টোকা দিয়ে অন্য খোপে নিয়ে যেতে হয়। চাড়া যদি কোনো দাগের ওপর থেমে যায়।
তাহলে যে খেলছে, সে দান হারাবে। স্থানভেদে খেলাটির আলাদা রীতি রয়েছে। যেমন চাড়াটি কপালে রেখে ঊর্ধ্বমুখী হয়ে খোপগুলো অতিক্রম করা, না দেখে ঘরে উল্টো দিক থেকে চাড়া ফেলা ইত্যাদি।