হোম > ইসলাম

রমজানে গুনাহের ক্ষমা চাওয়ার গুরুত্ব

মুনীরুল ইসলাম

মাগফিরাত বা ক্ষমার বারতা নিয়ে শুরু হয় মাহে রমজানের দ্বিতীয় দশক। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘রমজানের প্রথম ১০ দিন রহমতের, দ্বিতীয় ১০ দিন মাগফিরাত লাভের এবং তৃতীয় ১০ দিন জাহান্নাম থেকে মুক্তি লাভের।’ (মিশকাত)

এ মাসে যখন একজন রোজাদার সারা বছরের নেকির ঘাটতি পূরণের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা-সাধনা চালিয়ে যান এবং মাগফিরাতের ১০ দিনও কাটিয়ে দেন, তখন আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন। মাহে রমজানের প্রতি দিন রাতেই অনেক মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেওয়া হয় এবং দোয়া কবুল হয়। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘মাহে রমজানের প্রতি রাতেই একজন ফেরেশতা ঘোষণা করতে থাকেন, ‘হে পুণ্য অন্বেষণকারী, অগ্রসর হও। হে পাপাচারী, থামো, চোখ খোলো।’ তিনি আবার ঘোষণা করেন, ‘ক্ষমাপ্রার্থীকে ক্ষমা করা হবে। অনুতপ্তের অনুতাপ গ্রহণ করা হবে। প্রার্থনাকারীর প্রার্থনা কবুল করা হবে।’ (তিরমিজি)

এ মাসে আল্লাহর দরবারে মাগফিরাত কামনা করলে, গরিব-দুঃখীদের প্রতি দান-সদকার পরিমাণ বাড়িয়ে দিলে, নিজে সব ধরনের খারাপ কাজ পরিহার করলে, আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য ইবাদত-বন্দেগি, জিকির-আজকার, তাসবিহ-তাহলিল, কোরআন তিলাওয়াত ও দোয়া-ইস্তেগফার করলে, মহান আল্লাহ তা অবশ্যই কবুল করেন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘এ মাসে চারটি কাজ অবশ্যকরণীয়। দুটি কাজ এমন যা দিয়ে তোমাদের প্রতিপালক সন্তুষ্ট হন। অবশিষ্ট দুটি এমন, যা ছাড়া তোমাদের কোনো গত্যন্তর নেই। এই চারটির মধ্যে একটি হলো কালেমায়ে শাহাদাত পাঠ করা, দ্বিতীয়টি হলো বেশি বেশি ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করা। এই দুটি কাজ আল্লাহর দরবারে অতি পছন্দনীয়। তৃতীয় ও চতুর্থটি হলো—জান্নাত লাভের আশা করা ও জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণের প্রার্থনা করা। এই দুটি এমন বিষয়, যা তোমাদের জন্য একান্ত প্রয়োজন।’ (ইবনে খুজাইমা) 

মুনীরুল ইসলাম, শিক্ষক ও ইসলামবিষয়ক গবেষক

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১১ মার্চ ২০২৬

রমজানের শেষ ১০ দিনের ইতিকাফে যে ফজিলত

সাইয়েদ আবুল হাসান আলি নদভি: বিংশ শতাব্দীর অমর জ্ঞানসাধক

সুমামা (রা.)-এর ইসলাম গ্রহণের অবিশ্বাস্য ঘটনা

নারীদের ইতিকাফের নিয়ম ও বিধান

আজকের নামাজের সময়সূচি: ১০ মার্চ ২০২৬

রমজান মাস পেয়েও যারা হতভাগা

ইমাম তাহাবি: আকিদা ও ফিকহ শাস্ত্রের অনন্য মহিরুহ

মেহমানদারি করায় আসমান থেকে এল সুখবর

ইতিকাফের যে মাসআলাগুলো জানা জরুরি