হোম > ইসলাম

শত্রুর জাদুটোনা থেকে বাঁচতে যে আমল করবেন

ইসলাম ডেস্ক 

পবিত্র কোরআন। ছবি: সংগৃহীত

ইসলামে বিশ্বাস ও তাওহিদের ভিত্তিতে মানবজীবন পরিচালিত হয়। সেই বিশ্বাসে জাদু বা জাদুটোনার কোনো স্থান নেই—বরং এটি একটি ঘৃণিত, হারাম এবং গুনাহে কবিরা, অর্থাৎ বড় পাপ হিসেবে চিহ্নিত। জাদুবিদ্যা কেবল একজন মানুষকে শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে না, বরং তার ইমান ও আত্মিক ভারসাম্যকেও ভেঙে দিতে পারে।

আফসোসের বিষয় হলো, অনেকেই এখনো ব্যক্তিগত স্বার্থ, হিংসা বা প্রতিশোধের বশে এই অনৈতিক ও শয়তানিসুলভ কাজে জড়িয়ে পড়ে।

ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী, জাদু বাস্তব এবং এর দ্বারা মানুষের ক্ষতি হতে পারে। এমনকি আমাদের প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-ও একবার জাদুর শিকার হয়েছিলেন, যা থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে ওহি ও ফেরেশতার মাধ্যমে প্রতিকার দেওয়া হয়েছিল। কোরআন ও হাদিসে এ সংক্রান্ত ঘটনা এবং তার থেকে মুক্তির জন্য দোয়া ও সুরা পাঠের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

মহানবী (সা.) এক দুষ্টু ব্যক্তির জাদুতে আক্রান্ত হওয়ার পর তিনি অনেক কিছু ভুলে যেতেন। পরে আল্লাহ তাআলা ওহির মাধ্যমে তাঁকে তা জানিয়ে দেন। রাসুল (সা.) এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘হে আয়েশা, আমি যে ব্যাপারে জানতে চেয়েছিলাম, সে বিষয়ে আল্লাহ আমাকে জানিয়ে দিয়েছেন। (আমি স্বপ্নে দেখলাম) আমার কাছে দুজন লোক (ফেরেশতা) এল। একজন বসল আমার পায়ের কাছে এবং আরেকজন মাথার কাছে। পায়ের কাছে বসা ব্যক্তি মাথার কাছে বসা ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করল—এ ব্যক্তির অবস্থা কী? সে বলল—তাঁকে জাদু করা হয়েছে। সে আবার জিজ্ঞাসা করল—তাঁকে কে জাদু করেছে? সে বলল—লাবিদ বিন আসাম। সে আবার জিজ্ঞাসা করল—কিসের মধ্যে? সে বলল—নর খেজুরগাছের খোসার ভেতরে তাঁর চিরুনির এক টুকরা ও আঁচড়ানো চুল ঢুকিয়ে দিয়ে জারওয়ান কূপের মধ্যে একটা পাথরের নিচে রেখেছে।’ (সহিহ্ বুখারি: ৬০৬৩)

সুনানে নাসায়ির বর্ণনায় এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) যখন কূপের ভেতর থেকে জাদুর উপকরণগুলো বের করলেন, তখন তার ভেতর একটি সুতা পাওয়া গেল, যাতে ১১টি গিঁট ছিল। জিবরাইল (আ.) সুরা নাস ও ফালাকের একেকটি আয়াত পড়ছিলেন এবং একেকটি গিঁট খুলে যাচ্ছিল। সব গিঁট খুলে যাওয়ার পর রাসুলুল্লাহ (সা.) সুস্থবোধ করতে শুরু করেন।

এই দুটি সুরা ছাড়াও এ ক্ষেত্রে সুরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসি, সুরা আরাফের ১০৬ থেকে ১২২ নম্বর আয়াত, সুরা তহার ৬৫ থেকে ৬৯ নম্বর আয়াত, সুরা কাফিরুন, সুরা ইখলাস ও হাদিসে বর্ণিত দোয়াগুলো পাঠ করা যায়।

১,২৫০ মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ইতমিনান বোর্ডের সংবর্ধনা

কত বছর বয়স থেকে নামাজ ফরজ হয়

আজকের নামাজের সময়সূচি: ৩০ জুলাই ২০২৬

কওমি মাদ্রাসা-সংক্রান্ত অভিযোগ পর্যবেক্ষণে হটলাইন চালু

দরুদ পড়লে যেভাবে দূর হয় দুশ্চিন্তা

ইবলিস জিন নাকি ফেরেশতা, ইসলাম কী বলে

মেসওয়াক কেন করবেন, ফজিলত ও উপকারিতা কী

জান্নাতের ৮ দরজার নাম-পরিচয়

আজকের নামাজের সময়সূচি: ২৭ জুলাই ২০২৬

আহলে কিতাব বলতে ইসলামে কাদের বোঝানো হয়