হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

ট্রাম্প প্রশাসনের বার্তা: বাড়তি শুল্কের অর্থ ফেরত দিতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফাইল ছবি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একতরফাভাবে জারি করা শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করেছে দেশটির সর্বোচ্চ আদালত। ফলে শুল্কের মাধ্যমে আদায় করা বাড়তি অর্থ ফেরত দেওয়া হতে পারে। তবে সবার অর্থ ফেরত দিতে বিলম্ব হতে পারে বলে জানিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। বিচার বিভাগের (ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস) দাখিল করা নথিতে এসব কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ আদালতে ট্রাম্পের শুল্ক অবৈধ ঘোষণার পর থেকে ডজনখানেক প্রতিষ্ঠান অর্থ ফেরতের আবেদন করেছে। এর আগে রায়ের সম্ভাবনা মাথায় রেখে শত শত প্রতিষ্ঠান মামলা করেছিল। ব্রিটিশ গণমাধ্যম গার্ডিয়ান জানায়, ফেডেক্সসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে ক্ষতিপূরণের দাবি জানানো শুরু করেছে। এ ছাড়া সুপ্রিম কোর্টে এই শুল্ক অবৈধ ঘোষণার পর তা আদায়ও বন্ধ করেছে কাস্টমস অ্যান্ড প্রটেকশন ডিপার্টমেন্ট। যদিও আদালতের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করছেন ট্রাম্প। তিনি প্রশ্নও করেছেন, এই রায়ের পুনঃশুনানি করা সম্ভব কি না। তবে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন বিচার বিভাগ। তারা এ নিয়ে আদালতে যাবে কি না, তা নিয়েও কোনো পরিকল্পনার কথা জানায়নি।

এদিকে নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, আদালতের রায় পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি খুঁজছেন তিনি। গত শুক্রবার ট্রাম্প বলেন, ‘এটা (সুপ্রিম কোর্টের রায়) কোনোভাবেই যুক্তিসংগত নয়। দশকের পর দশক ফায়দা লুটে আমাদের শত শত কোটি ডলার হাতিয়ে নিয়েছে এই দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো। অথচ সেগুলো তারা পাওয়ার যোগ্য ছিল না। তারা “অত্যন্ত হতাশাজনক” এই রায়ের ফলে নজিরবিহীনভাবে লাভবান হবে।’

নিউইয়র্ক টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, সর্বোচ্চ আদালতের কোনো রায়ের ওপর পুনঃশুনানির ঘটনা বিরল হলেও পুরো বিষয়টি সংবিধানসম্মত। তবে একটি জটিলতা হলো, আদালতের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকের এ বিষয়ে সম্মতি থাকতে হবে। যেহেতু এই আদালতে ৬-৩ ভোটে ট্রাম্পের শুল্ককে অবৈধ ঘোষণা করা হয়, তাই পুনঃশুনানির আবেদন গৃহীত হওয়া নিয়ে সন্দিহান সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

তবে পুনঃশুনানি আদায় করতে না পারলেও, পরবর্তী পদক্ষেপের আগে একটু গুছিয়ে নেওয়ার সময় পাবে ট্রাম্প প্রশাসন। কারণ সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আবেদন করলে তার একটা সিদ্ধান্ত আসতে গড়ে ২৫ দিন প্রয়োজন হয়। এই পুরো আইনিপ্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই বোঝা যাবে, ব্যবসায়ীরা আদৌ ক্ষতিপূরণ পাবেন কি না।

দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর একতরফা শুল্ক আরোপ করেন। তবে গত ২০ ফেব্রুয়ারি সর্বোচ্চ মার্কিন আদালতের রায়ে ট্রাম্পের শুল্ক আরোপকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়। এর পরই শুল্কের কারণে প্রদেয় বাড়তি অর্থ ক্ষতিপূরণ আকারে ফেরত দেওয়ার একটি কথা উঠে আসে। রায়ের পর প্রাথমিকভাবে ট্রাম্প প্রশাসন জানিয়েছিল, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী সুদসহ অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। কিন্তু ট্রাম্প পরে দাবি করেন, শুল্কসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিষ্পত্তি করতে পাঁচ বছর পর্যন্ত সময় লাগতে পারে।

মার্কিন প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গত এক বছরে বাড়তি শুল্কের কল্যাণে আদায় করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি মার্কিন ডলারের বেশি। এই অর্থ ফেরত পেলে ব্যবসায়ীদের পোয়াবারো হলেও, কেন্দ্রীয় সরকারের রাজস্বভান্ডারে কিছুটা টান পড়বে।

খামেনি নিহত হয়েছেন, ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রশিল্প মাটিতে মিশিয়ে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য: ট্রাম্প

আমি নাক গলাতাম, কিন্তু পাকিস্তান বেশ ভালো করছে: পাক-আফগান যুদ্ধ প্রসঙ্গে ট্রাম্প

আমি কিছু দেখিনি, ভুল কিছু করিনি—বিল ক্লিনটনের সাক্ষ্য

মন্দার ছায়া, তবু রেস্তোরাঁ শিল্পে বিপুল কর্মসংস্থান যুক্তরাষ্ট্রে

ক্লিনটনকে এপস্টেইনের পরিমণ্ডলে নিয়ে গিয়েছিলেন গিলেইন

প্রতি মাসে সাড়ে ৪ হাজার শ্বেতাঙ্গ দক্ষিণ আফ্রিকান নেবে যুক্তরাষ্ট্র

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে তদন্তে যুক্ত ১০ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করল এফবিআই

মরক্কোয় প্রাসাদ কিনে স্থায়ী হতে চেয়েছিলেন এপস্টেইন

ইরান আক্রমণের পথ খোলা রেখেছেন ট্রাম্প, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের চিন্তা নেই: ভ্যান্স