হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

সব নয়, শুধু অভিবাসী ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বজুড়ে অভিবাসী (ইমিগ্র্যান্ট) ভিসার নতুন অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে আসার পর থেকে ট্রাম্প প্রশাসন ব্যাপক অভিবাসনবিরোধী অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। এর আওতায় অবৈধ অভিবাসীদের গণহারে বহিষ্কার, বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভিসা ও গ্রিন কার্ড বাতিল এবং নানা কারণে নতুন আবেদন প্রত্যাখ্যানের মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

গত মঙ্গলবার মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র জানান, বিশ্বের সব মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটে কনস্যুলার কর্মকর্তাদের জন্য একটি বৈশ্বিক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এই প্রশিক্ষণের কারণে ভিসাসেবার অ্যাপয়েন্টমেন্ট সাময়িকভাবে বন্ধ করা হচ্ছে।

এর আগে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানায়, যেসব আবেদনকারীর অভিবাসী ভিসার সাক্ষাৎকার নির্ধারিত ছিল, তাঁদের ই-মেইলে জানানো হয়েছে যে, অ্যাপয়েন্টমেন্ট পুনর্নির্ধারণ করা হচ্ছে। পরে নতুন তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর প্রশিক্ষণের বিস্তারিত বিষয় বা এটি কত দিন চলবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা জানায়নি। তবে তারা বলেছে, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো কনস্যুলার কর্মকর্তাদের এমন আবেদনকারীদের শনাক্ত করতে আরও দক্ষ করে তোলা, যাঁরা ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সামাজিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে পারেন। একই সঙ্গে ভিসা আবেদনকারীদের মূল্যায়ন যেন ‘অভিন্ন মানদণ্ডে’ করা হয়, সেটিও এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য বলে জানিয়েছে দপ্তর।

২০২৪ সালের নির্বাচনী প্রচারে ট্রাম্প অবৈধ অভিবাসন বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে তাঁর প্রশাসন বৈধ অভিবাসনের পথও কঠিন করেছে। এর মধ্যে কয়েকটি কর্মসংস্থানভিত্তিক ভিসার (যেমন এইচ-১ বি) আবেদনকারীদের জন্য অতিরিক্ত ফি আরোপের সিদ্ধান্তও রয়েছে।

প্রসঙ্গত, বার্তা সংস্থা রয়টার্স গতকাল বুধবার এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। পরে তাদের মূল প্রতিবেদনের শিরোনাম ও প্রথম অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। সংশোধিত প্রতিবেদনে ‘সব ধরনের ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট’-এর স্থলে শুধু ‘অভিবাসী ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্ট’ স্থগিত করার বিষয়টি উল্লেখ করেছে রয়টার্স।