ইরানজুড়ে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান বিমান হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মেয়ে ও নাতি নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ রোববার ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছে। তবে খামেনি নিজে জীবিত না মৃত—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এমন দাবির বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি তেহরান।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, শনিবারের বোমা হামলায় খামেনির মেয়ে ও তাঁর এক সন্তান (খামেনির নাতি) প্রাণ হারিয়েছেন।
এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ দাবি করছে, খামেনি নিজেও ওই হামলায় নিহত হয়েছেন। কিন্তু ইরান সরকার খামেনির অবস্থা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি বা তাঁর কোনো (বর্তমান অবস্থার) ছবি বা ভিডিও প্রকাশ করেনি।
ইরানের পক্ষ থেকে তাঁর মেয়ের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হলেও খামেনির বিষয়ে নীরবতা বজায় রাখা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যদি তিনি জীবিত থাকতেন, তবে এতক্ষণে তাঁর কোনো বার্তা রাষ্ট্রীয় টিভিতে প্রচারিত হতো। ফলে এই নীরবতা খামেনির মৃত্যুর সম্ভাবনাকে আরও জোরালো করছে।