হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধসহ যুক্তরাজ্যের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ৪ পাল্টা পদক্ষেপ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সা’আর। ছবি: বিবিসি

যুক্তরাজ্য সরকারের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞা ও ইসরায়েলবিরোধী বিভিন্ন পদক্ষেপের জেরে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে চারটি ‘পাল্টা পদক্ষেপ’ ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিয়ন সাআর জানিয়েছেন, জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী—যুক্তরাজ্য সরকারের ‘ধারাবাহিক ইসরায়েলবিরোধী সিদ্ধান্তের’ প্রতিক্রিয়ায় এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তিনি ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘চরম মিথ্যাচারের’ অভিযোগ এনে লেবার সরকারকে ইসরায়েলের প্রতি ‘শত্রুতাপূর্ণ’ বলে মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, ব্রিটিশ সরকার ‘পদ্ধতিগতভাবে ইসরায়েল রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কাজ করছে’।

সাআর আরও অভিযোগ করেন, ইসরায়েলের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার আগে এসব পদক্ষেপ ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ‘নির্লজ্জ হস্তক্ষেপ’ করছে। একই সঙ্গে তিনি ইসরায়েলি পণ্য বয়কটের ব্রিটিশ সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন।

ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতার কথাও পুনর্ব্যক্ত করেন ইসরায়েলি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ইসরায়েলের জনগণ ‘দেশের প্রাণকেন্দ্রে’ ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করে এবং লেবার সরকার ইসরায়েলের ওপর এমন সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

সাআর ঘোষিত চার পাল্টা পদক্ষেপ হলো—জেরুজালেমে ব্রিটিশ কনস্যুলেট বন্ধ, দক্ষিণ ইসরায়েলের কিরিয়াত গাতে অবস্থিত ইন্টারন্যাশনাল গাজা সাপোর্ট সেন্টার থেকে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদের প্রত্যাহার, পশ্চিমতীরে ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বাহিনীকে প্রশিক্ষণে ব্রিটিশ কার্যক্রম বন্ধ এবং ১২ জন ব্রিটিশ নির্বাচিত প্রতিনিধি ও কয়েকজন ব্রিটিশ নাগরিকের ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা। শেষের পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ইসরায়েল তাঁদের ‘ইহুদিবিদ্বেষী ও ইসরায়েলবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত’ এবং ইসরায়েল রাষ্ট্রের অস্তিত্ব অস্বীকারকারী হিসেবে চিহ্নিত করেছে।