হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ইসরায়েলের ব্যর্থতা মনে করেন হিজবুল্লাহ প্রধান

সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম। ছবি: এএফপি

গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি আলোচনা শুরুর পর প্রথমবারের মতো প্রতিক্রিয়া জানালেন লেবাননের ইরান সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাশেম। আজ শনিবার ফিলিস্তিনিদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, এই চুক্তি ইসরায়েলের বিরুদ্ধে অটল প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রমাণ। টাইমস অব ইসরায়েল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

হিজবুল্লাহ প্রধান বলেন, গত বছরের মে মাসে প্রস্তাবিত এই চুক্তি অপরিবর্তিত অবস্থায় কার্যকর হওয়া প্রমাণ করে, ইসরায়েলের প্রতিরোধকারীরা সফল হয়েছে এবং ইসরায়েল নিজের লক্ষ্য অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।

হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে টানা ১৪ মাসের যুদ্ধে লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় ৩ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি নিহত হয়। বাস্তুচ্যুত হয় ১২ লাখ মানুষ। অন্যদিকে ইসরায়েলের কমপক্ষে ৭৫ জন নিহত হন। শেষ পর্যন্ত, গত ২৬ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হিজবুল্লাহর সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। এই যুদ্ধবিরতির কথা উল্লেখ করে কাশেম বলেন, লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি গাজার এ বিজয়ে অবদান রেখেছে।

গাজায় ছয় সপ্তাহের প্রথম যুদ্ধবিরতির পর্যায়ে হামাস ৩৩ জিম্মিকে মুক্তি দেবে, যার মধ্যে নারী (সেনা ও বেসামরিক), শিশু এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষ থাকবে। প্রথমে নারী ও ১৯ বছরের কম বয়সীদের মুক্তি দেবে, পরে ৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের মুক্তি দেওয়া হবে। প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিনজন করে জিম্মি মুক্তি দেবে হামাস। ৩৩ জিম্মির বাকি অংশ মুক্তি দেবে চুক্তির শেষের দিকে। প্রথমে জীবিতদের মুক্তি দেওয়া হবে, তারপর জিম্মিদের মরদেহগুলো পাঠানো হবে।

অন্যদিকে ইসরায়েল প্রতিটি বেসামরিক জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ৩০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেবে। পাশাপাশি প্রতি ইসরায়েলি নারী সেনাদের বিপরীতে ৫০ জন ফিলিস্তিনি বন্দীকে মুক্তি দেওয়া হবে। ফিলিস্তিনি নারী-পুরুষ ও শিশু মিলিয়ে ৯৯০ থেকে ১ হাজার ৬৫০ জন মুক্তি পাবে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের নেতৃত্বে সশস্ত্র ব্যক্তিরা ইসরায়েলের সীমান্ত এলাকায় হামলা চালিয়ে ১ হাজার ২০০ জন সেনা ও বেসামরিক মানুষ হত্যা এবং ২৫০ জনকে বন্দী করে। এর পর থেকেই ইসরায়েল গাজায় ব্যাপক সামরিক অভিযান শুরু করে। এই যুদ্ধে ৪৬ হাজারেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত হয়েছেন প্রায় ২৩ লাখ। অন্যদিকে জিম্মিদের অনেককেই মুক্তি দিয়েছে হামাস। ইসরায়েলের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, গাজায় হামাসের কাছে এখনো ৯৮ জন জিম্মি জীবিত অথবা মৃত অবস্থায় রয়েছেন।

গাজা শাসনে ট্রাম্পের শান্তি পরিষদে থাকছেন নেতানিয়াহুও

জেরুজালেমে ইসরায়েলি মন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থার কার্যালয় উচ্ছেদ, কর্মীদের হত্যার হুমকি

অস্তিত্বের সংকটে গাজা

সিরিয়ায় যুদ্ধবিরতির চুক্তি গেল ভেস্তে, সংঘাত তীব্রতর

ইয়েমেনে আমিরাতের গোপন বন্দিশালা, মজুত করেছিল বিপুল বিস্ফোরক

সৌদি আরবে প্রবাসীদের কাজের সুযোগ কমছে, ১৮ পেশায় ৬০ শতাংশ ‘সৌদিকরণ’ বাধ্যতামূলক

গাজায় তুরস্ক ও কাতারের সেনাদের পা রাখতে দেবেন না নেতানিয়াহু

শিগগির ‘মুক্ত হতে পারেন’ আইএসপত্নী শামীমা

ফোরাতের তীরে কুর্দি বিদ্রোহের চূড়ান্ত পতন, এসডিএফের তেলক্ষেত্র এখন সিরিয়া সরকারের নিয়ন্ত্রণে

ইরানে বিক্ষোভে নিহত অন্তত ৫০০০, স্বীকার করল কর্তৃপক্ষ