হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

সম্পর্ক আরও গভীর করছে ইসরায়েল–মরক্কো, খুলছে দূতাবাস

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মরক্কোর রাজধানী রাবাতে অবস্থিত ইসরায়েলি লিয়াজোঁ অফিসের দরজার চৌকাঠে একটি ধর্মীয় ফলক (মেজুযাহ) টাঙাচ্ছেন ইসরায়েলি কূটনৈতিক প্রতিনিধিদলের প্রধান ডেভিড গভোরিন। ছবি: এএফপি

ইসরায়েল ও মরক্কো কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার বিষয়ে একমত হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দুই দেশই নিজেদের কূটনৈতিক মিশনকে দূতাবাসে উন্নীত করবে এবং উভয় দেশে রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেবে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতকাল বুধবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত মাইক ওয়াল্টজের আয়োজনে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের মধ্যে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদিওন সা’আর এবং মরক্কোর পররাষ্ট্রমন্ত্রী নাসের বুরিতা অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার বিষয়েও একমত হন। এর মধ্যে চলতি বছরের শেষ নাগাদ বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দ্বৈত কর পরিহার সংক্রান্ত দুটি চুক্তি সম্পন্ন করার বিষয়ও রয়েছে।

তিন দেশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক যৌথ বিবৃতিতে জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের মিশন বলেছে, ‘মরক্কো ও ইসরায়েলের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ, শান্তিপূর্ণ ও বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা দুই দেশেরই অভিন্ন স্বার্থে এবং এটি শান্তির প্রচেষ্টাকে এগিয়ে নেবে।’

দুই দেশ আকাশ যোগাযোগও বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। এর মধ্যে উভয় দেশের বিমান সংস্থার পরিচালিত সরাসরি ফ্লাইট পুনরায় চালুর বিষয়টিও রয়েছে। পাশাপাশি আগামী কয়েক মাসে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় সফরের পরিকল্পনাও তারা নিশ্চিত করেছে।

আব্রাহাম অ্যাকর্ডসের ষষ্ঠ বার্ষিকীর ঠিক এক দিন পর এই ঘোষণা এলো। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার প্রথম মেয়াদে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ও কাজাখস্তান এই চুক্তিতে যোগ দিয়েছে। আরব ও মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক স্বাভাবিক করাই এই চুক্তিগুলোর লক্ষ্য।