যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান। এই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক সেনাপ্রধান জর্জ কেসি, সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অ্যাটর্নি রুডি গিউলিয়ানিসহ মোট ১৫ জনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এদিকে, দেশটির সঙ্গে বৈশ্বিক শক্তিগুলোর পরমাণু আলোচনা বেশ কয়েক মাস ধরেই থমকে রয়েছে। সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।
নিষেধাজ্ঞার তালিকায় থাকা প্রায় সব কর্মকর্তাই ট্রাম্পের প্রশাসনের সময় দায়িত্ব পালন করেছেন। যারা ইরানের কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল এবং বিশ্ব শক্তির সঙ্গে তেহরানের পারমাণবিক চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নাম প্রত্যাহার করে নিতে ট্রাম্প প্রশাসনকে উৎসাহিত করেছিল।
ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাষ্ট্রের এসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে ‘সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ পরিচালনা এবং এই অঞ্চলে ও ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের ‘দমনমূলক কর্মকাণ্ডে’ সমর্থন করার দায়ে অভিযুক্ত করেছে।
আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল অস্টিন স্কট মিলার, সাবেক মার্কিন বাণিজ্যসচিব উইলবার রসসহ বেশ কয়েকজন সাবেক রাষ্ট্রদূত ইরান আরোপিত এই নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।
এর আগে, চলতি বছরের জানুয়ারিতে ঘোষণা করা অনুরূপ একটি পদক্ষেপে ২০২০ ইরাকে ড্রোন হামলায় ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলেইমানিকে হত্যার দায়ে ৫১ মার্কিন নাগরিকের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। ওই নিষেধাজ্ঞার লক্ষ্যবস্তু যারা ছিলেন তাদের অধিকাংশই মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্য।