ইরানের মুহুর্মুহু ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মুখে কার্যত বাংকারে বন্দী হয়ে পড়েছেন ইসরায়েলের সাধারণ নাগরিকেরা। দেশজুড়ে সতর্কতা সংকেত বা বিমান হামলার সাইরেন বেজে ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই বাসিন্দারা ভিড় করছেন সুড়ঙ্গ বা সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে। তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা প্রতিশোধের ঘোষণার পর থেকে চরম উৎকণ্ঠার মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন তারা।
ইসরায়েলি গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সাম্প্রতিক এই হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৯ জন ইসরায়েলি এবং ৪ জন মার্কিন সেনা নিহত হয়েছেন।
জেরুজালেমের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির বেইত শেমেসের জনবহুল আবাসিক এলাকায় গত রোববার একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। এতে অন্তত ছয়জন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হন।
জেরুজালেমের বাসিন্দা রাব্বি স্টিভেন বার্গ বলেন, ‘জেরুজালেম যদি ম্যানহাটন হয়, তবে বেইত শেমেস হলো লং আইল্যান্ডের মতো শান্ত আবাসিক এলাকা। ক্ষেপণাস্ত্রটি ঠিক এমন জায়গায় পড়েছে যেখানে সাধারণ মানুষ থাকে এবং শিশুরা খেলাধুলা করে।’
ইসরায়েলের নতুন বাড়িগুলোতে সাধারণত ‘রি-ইনফোর্সড সেফ রুম’ বা শক্তিশালী সুরক্ষিত কক্ষ থাকে। সাইরেন বাজার পর নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার জন্য বাসিন্দারা বড়জোর এক মিনিট সময় পান।
রাব্বি বার্গ জানান, বেইত শেমেসে নিহতদের মধ্যে দুজন আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার পথে সময়মতো পৌঁছাতে না পেরে মারা গেছেন। বর্তমানে স্কুল-কলেজ এবং জনসমাগম বন্ধ রেখে সাধারণ মানুষকে সব সময় আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।