হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

সুরক্ষাবলয়হীন পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা এখন ইসরায়েলের ‘মানবঢাল’

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: এএফপি

ইরান, ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান বিধ্বংসী যুদ্ধের মাঝখানে পড়ে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির শিকার হচ্ছে অধিকৃত পশ্চিম তীরের ফিলিস্তিনিরা। একদিকে ইরানের নজিরবিহীন ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, অন্যদিকে ইসরায়েলের বৈষম্যমূলক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা—এই দুয়ের চাপে পিষ্ট হচ্ছে কোনো সামরিক সুরক্ষা না থাকা লাখ লাখ ফিলিস্তিনি।

ইসরায়েলি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (যেমন আয়রন ডোম) মূলত ইসরায়েলি শহর এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরের অবৈধ ইহুদি বসতিগুলোকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য তৈরি। সাম্প্রতিক হামলায় দেখা গেছে, ইসরায়েলি ডিফেন্স সিস্টেম অনেক সময় ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রগুলোকে তাদের বসতি থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে, যা প্রায়শই ফিলিস্তিনি জনবসতির ওপর গিয়ে পড়ছে। ফিলিস্তিনিদের জন্য কোনো আগাম সতর্কতা বা আশ্রয়কেন্দ্র (বাংকার) না থাকায় তারা কার্যত খোলা আকাশের নিচে মৃত্যুর অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছে।

শনিবার সকালে পশ্চিম তীরের কালকিলিয়া এবং বেইত সাহুর শহরে ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ আছড়ে পড়ে অন্তত একজন ফিলিস্তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন। এ ছাড়া যুদ্ধের উত্তেজনার সুযোগে অধিকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর সহিংসতাও বেড়েছে। হেবরনের কাছে ইসরায়েলি সেনাদের গুলিতে এক ফিলিস্তিনি যুবক নিহত হয়েছেন।

বিস্ময়কর বিষয় হলো, যখন ইসরায়েলের ওপর আকাশ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র বৃষ্টি হচ্ছিল, তখনো অধিকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলি সেটলাররা (অবৈধ বসতিস্থাপনকারী) ফিলিস্তিনিদের ঘরবাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ অব্যাহত রেখেছে। ফিলিস্তিনি নাগরিকদের অভিযোগ, এই যুদ্ধকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তাদের ওপর জাতিগত নিপীড়ন আরও তীব্র করা হচ্ছে।

পশ্চিম তীরের সাধারণ মানুষের কোনো নিজস্ব সেনাবাহিনী বা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা নেই। তারা বর্তমানে এমন এক যুদ্ধের শিকার, যে যুদ্ধে তাদের কোনো পক্ষ নেই, কিন্তু ক্ষয়ক্ষতির সিংহভাগ তাদেরই বহন করতে হচ্ছে।

ইরানি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত দুবাইয়ের ল্যান্ডমার্ক বুর্জ আল আরব হোটেল

খামেনি কেবল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা নন, ছিলেন আরও বেশি কিছু

নতুন ভোরেও হামলায় কাঁপছে তেহরান, বেসামরিক প্রাণহানি অন্তত ১৩৩

মধ্যপ্রাচ্যে ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করা যাবে না, চীনের হুঁশিয়ারি

খামেনি-পরবর্তী ইরান: কূটনৈতিক সমাধান এখন ‘সহজসাধ্য’, দাবি ট্রাম্পের

শনিবার ভোরের হামলা ও খামেনি হত্যা, এখন পর্যন্ত যা ঘটল

নিজ দপ্তরেই মারা যান খামেনি, কখন মৃত্যু হয়—জানাল ইরান

খামেনির মৃত্যুতে আইআরজিসির শোক, ‘সবচেয়ে বিধ্বংসী আক্রমণাত্মক অভিযান’ শুরুর ঘোষণা

ইরান উপসাগরীয় প্রায় সব দেশেই আক্রমণ চালালেও কেন ওমানে চালায়নি

খামেনি নিহত—বলছে ইরানি গণমাধ্যম