হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির পর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যৌথ সামরিক মহড়া

ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্কের অবনতি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া শুরু করেছে। ইসরায়েলে চলমান এই মহড়ায় আকাশে রিফুয়েলিং এবং দূরপাল্লার লক্ষ্যে আঘাত হানাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।  

ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বিভিন্ন পরিস্থিতিতে কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে হবে তার মহড়া হবে। দূরপাল্লায়  আঘাতের বিষয়টি খুবই গুরুত্ব পাবে।

যুক্তরাষ্ট্রের সেনার সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তরফ থেকে বলা হয়েছে, এই মহড়ার নাম দেওয়া হয়েছে, ‘জুনিপার ওক’। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষায় আমেরিকা কতটা দায়বদ্ধ, তার প্রমাণ এই মহড়া।  

যুক্তরাষ্ট্রের দাবি, উপসাগরীয় দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করাটাই তাদের মূল লক্ষ্য। এই অঞ্চলে আরব দেশগুলোর বিরুদ্ধে যাতে কোনো রকম আক্রমণ না হয়, সেটা ঠেকানোর লক্ষ্যেই এ মহড়া। 

ইসরায়েল বলেছে, এই অঞ্চলে বিভিন্ন হুমকি ও বিপদের মোকাবিলা করার জন্য এই সামরিক মহড়া হচ্ছে। আকাশপথের নিরাপত্তা ও সাইবার প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে সেরা হওয়ার লক্ষ্যও আছে।

দুই দেশের বিবৃতিতে ইরানের নাম না করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের লক্ষ্য যে তারাই, তা বিবৃতি থেকে স্পষ্ট।

কিছুদিন আগেই যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, তারা কিছুতেই ইরানকে পরমাণু শক্তিধর দেশ হতে দেবে না। ইরান যদিও জানিয়েছে, তারা এ ধরনের কোনো চেষ্টা করছে না।

বিক্ষোভে হতাহতদের স্মরণে ইরানে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা

মার্চে গাজায় নতুন করে হামলা ও দখল অভিযান শুরু করবে ইসরায়েল

জনগণের ‘কথা শুনতে’ প্রস্তুত, ‘যেকোনো মূল্যে’ অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান করবে ইরান সরকার

ইরানে রাজনৈতিক সংকট: বিক্ষোভ জোরালো হচ্ছে, বাড়ছে মৃত্যু

ইরানে বিক্ষোভে নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়াল

ইসরায়েল ও মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি ইরানের

ইরানের বিক্ষোভের মুখ হতে চাইছেন—পারবেন কি শাহপুত্র রেজা পাহলভি

ফিলিস্তিনিদের সোমালিল্যান্ডে পাঠানোর পরিকল্পনা ইসরায়েলের, শক্ত প্রমাণ আছে: সোমালিয়ার মন্ত্রী

বিক্ষোভ দমনে হিমশিম ইরান, নিরাপত্তা বাহিনীর শতাধিক সদস্য নিহতের দাবি

বিক্ষোভ মোকাবিলায় ইরান কেন আগের মতো কঠোর হচ্ছে না