বিগত এক বছরে যুক্তরাষ্ট্র থেকে যাওয়া এক হাজারেরও বেশি অস্ত্র জব্দ করেছে ব্রাজিলীয় কর্তৃপক্ষ। আর চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেই অর্থাৎ প্রথম তিন মাসেই প্রায় দেড় টন মাদকও জব্দ করেছে। এসব মাদকও যুক্তরাষ্ট্র থেকেই গিয়েছিল। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ব্রাজিলের কর রাজস্ব বিভাগের সচিব রবিনসন বেরেইরিনাস গতকাল শুক্রবার জানান, গত ১২ মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আসা এক হাজারের বেশি অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। আর চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকেই ১ দশমিক ৫ টনের বেশি মাদক জব্দ করেছে কর্তৃপক্ষ।
বেরেইরিনাস বলেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্রাজিলে প্রবেশ করা অস্ত্র-সম্পর্কিত তথ্য এখন একটি নতুন ব্যবস্থায় সংযোজন করা হচ্ছে। ব্রাজিল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘটিত অপরাধবিরোধী যৌথ উদ্যোগ ঘোষণার সময় তিনি এ কথা জানান।
ব্রাজিল সরকার জানিয়েছে, সংঘটিত অপরাধ এবং অস্ত্র ও মাদকের অবৈধ পাচার মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি যৌথ উদ্যোগ চালু করা হয়েছে।
এই উদ্যোগের আওতায় ব্রাজিলের কর কর্তৃপক্ষের তথ্যের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত ও শুল্ক সংস্থার তথ্য সমন্বয় করা হবে। এ জন্য ইউএস কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের তথ্য ব্যবহারের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক প্রবাহের ওপর নজরদারি জোরদার করা হবে। অবৈধ চালান শনাক্ত ও আটকাতে গোয়েন্দা সক্ষমতা একত্রিত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
এই উদ্যোগটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দ্য সিলভার অক্টোবরের নির্বাচনের আগে জোরদার করা নিরাপত্তা নীতির প্রেক্ষাপটে। তবে অপরাধী গোষ্ঠী দমনে কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে ব্রাজিল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে কিছু মতপার্থক্য রয়ে গেছে। এর আগে ওয়াশিংটন বড় বড় গ্যাংগুলোকে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল। কিন্তু ব্রাজিল সে পথে হাঁটতে রাজি হয়নি।