হোম > বিশ্ব > ভারত

আমরা আবার রাস্তায় নামব, প্রতিবাদ না করার মুচলেকা দিইনি: অভিজিৎ দীপকে

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। ছবি: সংগৃহীত

দিল্লিতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ব্যাপক পুলিশি অভিযানের পর বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন দলটির প্রধান অভিজিৎ দীপকেসহ শীর্ষ নেতারা। ছাড়া পাওয়ার পরপরই আজ রোববার অভিজিৎ দীপকে জানিয়েছেন, প্রতিবাদ না করার মুচলেকায় তাঁরা স্বাক্ষর করেননি এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা ফের রাজপথে নামবেন।

গতকাল শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভে যোগ দেওয়ার আগেই বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয়েছিল সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে। এরপর আজ সকালে দিল্লি ক্যান্টনমেন্টের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে তাঁদের হাজির করা হয়।

সিজেপির আইনি বিষয়ক প্রধান রত্না সিং জানান, আগামী এক বছর ‘শান্তি বজায় রাখার’ মুচলেকায় তাঁদের মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

তবে কোনো প্রকার আন্দোলন বা প্রতিবাদ না করার মুচলেকা দেওয়ার খবরকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক্সে নিজের ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, ‘আমরা কোনো নতিস্বীকার করিনি, সিইসির পদত্যাগের দাবিতে আমরা আবারও রাজপথে নামব।’

এদিকে আজ রোববার বিকেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সিজেপি নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা অভিযোগ করেন, আটকের ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত পুলিশ তাঁদের মোবাইল ফোন নিজেদের হেফাজতে রাখে। কোনো ধরনের আইনানুগ প্রক্রিয়া ছাড়া ফোন জব্দ করার ফলে তাতে ভুয়া তথ্য ও আলামত বসিয়ে দেওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা।

অন্যদিকে অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এআইএসএ) সভাপতি নেহা বোরাসহ শিক্ষার্থীদের ওপর চলা দমনপীড়ন নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে সংগঠনটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে আইসা দাবি করেছে, আন্দোলনকারীদের বহনকারী বাসগুলোকে খাঁচার মতো তালাবদ্ধ করা হয়েছিল, যেখানে ছিল না বাতাস চলাচলের ন্যূনতম ব্যবস্থা। এ ছাড়া আটক বিক্ষোভকারীদের গোপনাঙ্গে আঘাত, শারীরিক নির্যাতন এবং নারী ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে অশালীন ও জাতিগত গালিগালাজ করার অভিযোগ আনা হয়েছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে।

উল্লেখ্য, শনিবার যন্তর মন্তরে পৌঁছাতে বাধা দিতে দিল্লি পুলিশ রাজধানী থেকে প্রায় ৭ হাজার মানুষকে আটক করেছিল। তবে পুলিশি নির্যাতন ও নজিরবিহীন কড়াকড়ির পরও সিজেপি ও সহযোগী ছাত্র সংগঠনগুলো তাদের দাবিতে অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে।