হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

পাল্টাপাল্টি হামলায় রাশিয়া ও ইউক্রেনে নিহত ৮, রুশ বন্দরে ন্যাটোর তৈরি মাইন উদ্ধার

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: এএফপি

গত ২৪ ঘণ্টায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের পাল্টাপাল্টি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন। আজ সোমবার (২৫ মে) উভয় দেশের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হামলায় রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, লুহানস্ক অঞ্চলে একটি ছাত্রাবাসে ড্রোন হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল মস্কো। এরপরই কিয়েভে গত চার বছরের মধ্যে অন্যতম ভয়াবহ বিমান হামলা চালায় রাশিয়া। তবে ইউক্রেনীয় সামরিক বাহিনী ছাত্রাবাসে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছে, তারা ওই এলাকায় রাশিয়ার একটি অভিজাত ড্রোন কমান্ড ইউনিটে আঘাত হেনেছে।

সর্বশেষ হামলায় রুশ-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ইউক্রেনের হোরলিভকা শহরে ইউক্রেনীয় বাহিনীর হামলায় দুই কিশোরসহ চারজন নিহত হয়েছেন। শহরের মেয়র ইভান প্রিভোদকো টেলিগ্রামকে এই তথ্য জানিয়েছেন। এ ছাড়া ইউক্রেনের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় রাশিয়ার বেলগোরোদে একজন নিহত এবং আরেকজন আহত হয়েছেন। হামলার ফলে ওই অঞ্চলের বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে।

এদিকে রুশ বাহিনীর হামলায় ইউক্রেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা খেরসনে দুজন নিহত ও ১৬ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন আঞ্চলিক গভর্নর ওলেক্সান্ডার প্রোকুদিন। এ ছাড়া ইউক্রেনের খারকিভের কাছে দেরহাচি শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। ডিনিপ্রোপেত্রোভস্ক ও জাপোরিঝিয়া অঞ্চলেও একটি ছয় বছরের শিশুসহ আরও আটজন আহত হয়েছে। ডিনিপ্রোপেত্রোভস্কের পাভলোহ্রাদ শহরে একটি ৯ তলাবিশিষ্ট আবাসিক ভবনে ড্রোন আঘাত হানার পর সেখানে তীব্র ধোঁয়া উড়তে দেখা গেছে।

উভয় পক্ষই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার বিষয়টি অস্বীকার করেছে। ইউক্রেন ধারণা করছে, রাশিয়া উত্তর অঞ্চলে নতুন কোনো আক্রমণের পরিকল্পনা করছে, যা রুখতে তারা সেখানে অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি যুদ্ধ অবসানে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে রাশিয়ার বাল্টিক সাগরের উস্ত-লুগা বন্দরে একটি তেলবাহী ট্যাংকারে বেশ কয়েকটি ন্যাটো উৎপাদিত চুম্বকীয় মাইন শনাক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার তদন্ত কমিটি আজ এই তথ্য জানিয়েছে।

বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্প বন্দর থেকে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস নিতে আসা লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আরহেনিয়াস’ নামের ট্যাংকারটির নিচে তল্লাশি চালানোর সময় ডুবুরিরা এই মাইনগুলো খুঁজে পান। রাশিয়ার তদন্ত কমিটির মুখপাত্র সভেতলনা পেত্রেঙ্কো জানান, মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে এবং প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী এগুলো রাশিয়ার জলসীমায় স্থাপন করা অসম্ভব। অর্থাৎ, বাইরে থেকেই ট্যাংকারটিতে মাইন যুক্ত করা হয়েছিল। জাহাজটির তুরস্কের সামসুন বন্দরের উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা ছিল। এ বিষয়ে ন্যাটোর পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

ইউক্রেনে আঘাত হানা রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ‘ওরেশনিক’ কতটা বিধ্বংসী

রাশিয়ার প্রতিশোধ: কিয়েভে ভয়াবহ হামলা, ওরেসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের আশঙ্কা

ইউরোপে রেকর্ড উচ্চতায় যৌনরোগ সিফিলিস-গনোরিয়া, বেশি আক্রান্ত কারা

৫ লাখের বেশি অবৈধ অভিবাসীকে বৈধ করবে স্পেন

ইরানের ‘হত্যাচেষ্টা’ থেকে অল্পের জন্য বেঁচে গেছেন সুইডেনপ্রবাসী কর্মী

না পাঠানোর ঘোষণা দিয়েও পোল্যান্ডে আরও ৫ হাজার সেনা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

দুর্ঘটনায় ২২৮ প্রাণহানির ১৭ বছর পর দোষী সাব্যস্ত এয়ার ফ্রান্স ও এয়ারবাস

মরার আগেই ব্রিটিশ রাজার মৃত্যুর সংবাদ প্রচার করল রেডিও স্টেশন

ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিমানকে ‘ঝুঁকিপূর্ণভাবে’ বাধা দিয়েছে রাশিয়া

‘ম্যারিড অ্যাট ফার্স্ট সাইট ইউকে’ শো-তে ধর্ষণের অভিযোগ, সম্প্রচার বন্ধ