হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

স্মার্টফোন নেই পুতিনের, ব্যবহার করেন না ইন্টারনেটও, কিন্তু কেন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ছবি: সংগৃহীত

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন আজ বৃহস্পতিবার দুদিনের সরকারি সফরে ভারত আসছেন। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে আলোচনা ছাড়াও তিনি রাষ্ট্রীয় ভোজসভায় যোগ দেবেন এবং ভারত-রাশিয়া ‘বিশেষ ও বিশেষাধিকারপ্রাপ্ত কৌশলগত অংশীদারত্ব’ পর্যালোচনা করবেন।

বেশির ভাগ বিশ্ব নেতাই সাধারণত বড় দলবল নিয়ে আসেন এবং তাঁদের জন্য স্বাগতিক দেশে বিপুল আয়োজন থাকে। তবে পুতিনকে ঘিরে থাকা ‘নিরাপত্তার জাল’ তাঁকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে তুলেছে। তাঁর নিরাপত্তার ব্যাপারে তিনি এতটাই কঠোর যে, তিনি মুঠোফোন ব্যবহার করেন কি না তা নিয়েও সন্দেহ আছে! বার্তা সংস্থা এএফপির খবর অনুযায়ী, পদে পদে বিপদের সম্মুখীন হওয়া রুশ প্রেসিডেন্টের কোনো স্মার্টফোন নেই।

২০১৮ সালে বিজ্ঞানী ও শিক্ষাবিদদের সঙ্গে এক বৈঠকে কুরচাতভ পরমাণু গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান মিখাইল কোভালচুক বলেছিলেন, ‘প্রত্যেকের পকেটেই একটা করে স্মার্টফোন আছে।’ এর উত্তরে পুতিন বলেছিলেন, ‘আপনি বললেন সবার স্মার্টফোন আছে। কিন্তু আমার কোনো স্মার্টফোন নেই।’

এক রুশ সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘যত দূর জানি, প্রেসিডেন্ট পুতিনের কোনো ফোন নেই।’ তিনি বলেন, ‘স্মার্টফোন ব্যবহার করলে ব্যক্তির গোপনীয়তা ও নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়ে। আর এটি বিশেষ করে যেকোনো শীর্ষ নেতার জন্য বড় বিপদ ডেকে আনে।’

তবে সাধারণ মানুষ মনে করেন, প্রকাশ্যে যে কারণ বলা হয়, আসল কারণ হয়তো তার থেকে আলাদা। পুতিন একবার রুশ সংবাদ সংস্থা তাসকে বলেছিলেন, ক্রেমলিনের ভেতরে মুঠোফোন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ক্রেমলিন একই সঙ্গে সরকারের কেন্দ্র ও প্রেসিডেন্ট পুতিনের বাসভবন। তিনি বলেছিলেন, তিনি স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না। যদি কারও সঙ্গে যোগাযোগ করার প্রয়োজন হয়, তবে তার বদলে তিনি দাপ্তরিক ফোন লাইন ব্যবহার করেন।

পুতিন বহুবার স্বীকার করেছেন যে, আধুনিক প্রযুক্তিতে তিনি খুব একটা পটু নন। অনলাইনে সহজলভ্য কিছু বিষয় নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ২০১৭ সালে স্কুলশিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক বৈঠকে পুতিন বলেন, তিনি ‘খুব কমই ইন্টারনেট ব্যবহার করেন।’ তিনি ইন্টারনেটের সমালোচনাও করেছেন, একে তিনি ‘সিআইএ-এর বিশেষ প্রকল্প’ বলেছেন এবং এটিকে ‘অর্ধেকটা পর্নোগ্রাফি’ বলেও মন্তব্য করেছেন।

এর আগে পুতিন বলেছিলেন যে—তিনি মুঠোফোন ব্যবহার করেন না। কারণ, তিনি এই ধরনের যন্ত্র বা ইন্টারনেটের সঙ্গে সংযুক্ত কিছুকেই বিশ্বাস করেন না। মূলত নিরাপত্তার কারণেই তিনি মুঠোফোন এড়িয়ে চলেন। এও বলা হয় যে, তাঁর আশপাশে ফোন বা ইন্টারনেট-সংযুক্ত অন্যান্য গেজেট থাকলেও তা তাঁর কাছ থেকে দূরে রাখা হয়।

পুতিন যখন অন্য কোনো দেশে সফর করেন, তখন তাঁর নিরাপত্তা দল ব্যাপক সতর্কতা নেয়। তিনি যে হোটেলে থাকবেন, থেকে শুরু করে যে খাবার খাবেন, তাঁর আসার আগেই সবকিছু সতর্কতার সঙ্গে পরীক্ষা করা হয়। তিনি যে এলাকায়তে থাকেন, সেগুলোও নিরাপদ কি না, তা নিশ্চিত করতে তাঁর নিরাপত্তা কর্মীরা জীবাণুমুক্ত ও পরিষ্কার করে নেন। শুধু তা-ই নয়, পুতিনকে যে খাবার পরিবেশন করা হয়, তা বিষক্রিয়া বা দূষণের কোনো সম্ভাবনা দূর করার জন্য বিশেষ ভাবে পরীক্ষা করা হয়।

ব্রিটিশ বিমানঘাঁটি থেকে ইরানে হামলার ট্রাম্পের পরিকল্পনা আটকে দিলেন স্টারমার

গ্রেপ্তারের পর ছেড়ে দেওয়া হলো ব্রিটিশ রাজার ভাইকে, চলবে তদন্ত

সাবেক ব্রিটিশ প্রিন্স অ্যান্ড্রু গ্রেপ্তার

দিয়েগো গার্সিয়াসহ চাগোস দ্বীপপুঞ্জ মরিশাসকে দিয়ে দিচ্ছে যুক্তরাজ্য, খেপেছেন ট্রাম্প

নিলাম হবে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের কিশোরীবেলার চিঠি

পর্বতশৃঙ্গে প্রেমিকার মৃত্যু, বিচারের মুখোমুখি পর্বতারোহী

রাশিয়ার সঙ্গে চুক্তি করার চাপ দিয়ে অন্যায় করছেন ট্রাম্প: জেলেনস্কি

‘পশ্চিমের জলদস্যুতা’ রুখতে রণতরি মোতায়েনের হুঁশিয়ারি রাশিয়ার

যুক্তরাজ্যে প্রবেশে কড়াকড়ি, বিপাকে লাখো দ্বৈত নাগরিক

রুশদের ‘এফ–বর্গীয়’ গালি দিলেন জেলেনস্কি