ফিলিপাইনে একটি ক্যাথলিক গির্জার বারান্দা ধসে এক বয়স্ক নারীর মৃত্যু ঘটেছে। এ ছাড়া, আহত হয়েছেন ৫৩ জন। স্থানীয় সময় আজ বুধবার সকালে সান হোসে দেল মন্তের সেন্ট পিটার দ্য অ্যাপোসল গির্জায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। বার্তা সংস্থা এএফপি এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।
গির্জার দিনপঞ্জি অনুসারে ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের কাছে অন্যতম ব্যস্ত ছিল এটি। এ উপলক্ষে অনেক মানুষের জমায়েত ঘটেছিল। স্থানীয় দুর্যোগ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর জরুরি পরিষেবা বিভাগগুলোয় ভিড় করেছেন লক্ষাধিক মানুষ।
ম্যানিলার কাছে সান হোসে দেল মন্তের সিভিল ডিফেন্স প্রধান জিনা আয়সন এএফপিকে জানিয়েছেন, বুকে আঘাত পেয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ৮০ বছর বয়সী এক নারী মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত মানুষ উঠে দাঁড়ানোয় বারান্দাটি ভেঙে পড়েছে।
সেন্ট পিটার দ্য অ্যাপোসল গির্জার ৩০ বছরের পুরোনো বারান্দাটি উইপোকার কারণে দুর্বল হয়ে গিয়েছিল বলেও জানান জিনা আয়সন। তিনি বলেন, ‘নগর ভবনের কর্মকর্তারা খুঁজে পেয়েছেন যে, ধসে পড়া কাঠামোর একটি অংশ উইপোকা দ্বারা আক্রান্ত ছিল। বাইরে থেকে দেখতে ভালোই লাগছিল। আমরা জানতাম না, এটা ভেতর থেকে উইপোকা খেয়ে ফেলেছে।’
জিনা আয়সন আরও জানান, ক্যাথলিক গির্জাটিতে সমবেত হয়েছিল প্রায় ৪০০ মানুষ। এই দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে একটি বড় অংশই হচ্ছেন বয়স্করা।
তদন্তকারীরা ভবনটির কাঠামোগত নিরাপত্তা পরিদর্শন করছেন বলে মেয়র আর্থার রোবস ক্ষতিগ্রস্ত গির্জাটি বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। সামাজিক প্ল্যাটফর্মে রোবসের পোস্ট করা ছবিতে দেখা গেছে যে, মাটি থেকে এক মিটার উঁচুতে ঝুলছে কাঠের বারান্দার একটি অংশ। এর আশপাশে গির্জার ভাঙা প্লাস্টিকের চেয়ার এবং ধ্বংসাবশেষ দেখা গেছে।
অন্যান্য ছবিতে ১৯৯৪ সালে নির্মিত গির্জাটি হলুদ টেপ দিয়ে ঘিরে রাখায় অবস্থায় দেখা গেছে। আরেক ছবিতে দেখা যায়, আহত ব্যক্তিকে সেবা দিচ্ছেন একজন চিকিৎসক।