১ হাজার ৪৫০ কিলোমিটার পাল্লার এক নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করেছে ইরান। বুধবার নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি ওই ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে তেহরান। ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম রয়টার্স বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
দীর্ঘদিন স্থগিত থাকার পর ২০১৫ সালের পারমাণবিক চুক্তি পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার পরোক্ষ আলোচনা পুনরায় শুরুর মাত্র একদিন পর এই ঘটনা ঘটল।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থাকা দেশগুলোর মধ্যে ইরান অন্যতম। বিশ্লেষকদের ধারণা ইরানের কাছে ২ হাজার কিলোমিটার পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা ইসরায়েল ও ইরানের আশপাশের মার্কিন ঘাঁটিতে আঘাত হানতে সক্ষম।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি জানিয়েছে নতুন সারফেস-টু-সারফেস এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ‘খেইবার শেকান’। এটি আরব উপদ্বীপের হেজাজ অঞ্চলের খাইবার শেকান নামে এক মরূদ্যানের নামে করা। একসময়ে ইহুদি মালিকানাধীন এই মরূদ্যানটি ৭ম শতকে মুসলমানদের দখলে আসে।
এই ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা সম্পর্কে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন জানিয়েছে, ‘দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি রেভোলিউশনারি গার্ডস (আইআরজিসি) অভ্যন্তরীণভাবে তৈরি করেছে। কঠিন জ্বালানিতে পরিচালিত এই ক্ষেপণাস্ত্রটির লক্ষ্যবস্তু ভেদের মাত্রা প্রায় নির্ভুল এবং এটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও ভেদ করতে সক্ষম।’
ইরানের সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মেজর জেনারেল মোহাম্মদ বাঘেরি আইআরজিসি ঘাঁটিতে একটি অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘ইরান ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।’
তেহরান ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল এবং অন্যান্য প্রতিপক্ষকে মোকাবিলায় একটি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করে। তারা ক্ষেপণাস্ত্র বন্ধে পশ্চিমা দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে।