হোম > বিশ্ব > এশিয়া

বালেন্দ্র শাহ সরকারের শপথের পরদিনই গ্রেপ্তার নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

কেপি শর্মা অলি। ছবি: সংগৃহীত

জেন-জি বিপ্লবের হাত ধরে নেপালের নতুন সরকার গঠনের পরদিনই গেপ্তার হলেন নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি। গত বছর বিক্ষোভ দমনে প্রাণঘাতী অভিযানের অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিক্ষোভের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ লেখককেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে জানা গেছে, এই দুই নেতার বিরুদ্ধে ‘ফৌজদারি অবহেলার’ দায়ে মামলা করার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার জেরে গত সেপ্টেম্বরে শুরু হওয়া সেই গণ-অভ্যুত্থানে অন্তত ৭০ জনের মৃত্যু হয়। তবে বিক্ষোভের মূল কারণ ছিল দুর্নীতি ও ভঙ্গুর অর্থনৈতিক অবস্থার বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ। নিহত ব্যক্তিদের বড় অংশই পুলিশের গুলিতে প্রাণ হারান।

সংকটকালীন পরিস্থিতির জেরে দেশটিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে ৩৫ বছর বয়সী র‍্যাপার থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া বালেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক দিন পরই এই গ্রেপ্তারের ঘটনা ঘটল।

কাঠমান্ডু উপত্যকা পুলিশের মুখপাত্র ওম অধিকারী বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ‘আজ সকালে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী পরবর্তী প্রক্রিয়া শুরু হবে।’

তবে ৭৪ বছর বয়সী অলি এবং ৬২ বছর বয়সী রমেশ লেখকের বিরুদ্ধে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো অভিযোগ আনা হয়নি।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনের বিষয়ে অলি এর আগে অন্নপূর্ণা পোস্টকে বলেছিলেন, এটি ‘চরিত্র হনন এবং ঘৃণার রাজনীতি’ ছাড়া আর কিছু নয়। ওই কমিটি সাবেক পুলিশের প্রধান চন্দ্র কুবের খাপুংকেও গ্রেপ্তারের সুপারিশ করেছিল।

অলির আইনজীবীরা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তদন্তের এই পর্যায়ে তাঁর গ্রেপ্তার হওয়াটা অযৌক্তিক। একজন আইনজীবী বলেন, ‘এটি অবৈধ ও অনুচিত। কারণ তাঁর পালিয়ে যাওয়া বা জিজ্ঞাসাবাদ এড়িয়ে যাওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই।’

এদিকে বিক্ষোভের অন্যতম প্রধান মুখ এবং বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুদান গুরুং ইনস্টাগ্রামে এই গ্রেপ্তারকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়...এটি কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নয়, বরং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার শুরুমাত্র।’

গত বছরের ৮ সেপ্টেম্বর অলি সরকার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করে দিলে তরুণ প্রজন্ম রাজপথে নেমে আসে, যা পরবর্তী সময়ে ‘জেন-জি’ বিপ্লব হিসেবে পরিচিতি পায়। ওই দিন স্কুল ইউনিফর্ম পরা এক কিশোরসহ অন্তত ১৯ জন নিহত হন।

উচ্চ বেকারত্ব, স্থবির অর্থনীতি এবং রাজনীতিতে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ থেকে এই আন্দোলন দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। পরবর্তী সময়ে সংঘর্ষে আরও অনেকের মৃত্যু হয় এবং পার্লামেন্ট ভবন, থানা ও দোকানে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।

আন্দোলনে নিহত ৭৬ জনের পরিবার কয়েক মাস ধরে দোষী কর্মকর্তাদের শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিল।

বিক্ষোভের মুখে অলি ৯ সেপ্টেম্বর পদত্যাগ করেন। তবে ৫ মার্চের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবারও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।

নির্বাচনে বালেন্দ্র শাহর রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি) ভূমিধস জয় পায়। নেপালের বর্তমান নির্বাচনী ব্যবস্থায় কোনো একক দলের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া কঠিন হলেও কয়েক দশকের মধ্যে এই প্রথম কোনো দল নিরঙ্কুশ জয় পেল।

বিটিএস ভক্তদের জন্য দুয়ার খুলে দিল বুসানের বৌদ্ধমন্দিরগুলো

বিরোধীদলীয় নেতা ওজেলকে অপসারণের রায় দিলেন তুরস্কের আদালত

যুক্তরাষ্ট্রসহ ৯০টি দেশের অন-অ্যারাইভাল ও ভিসামুক্ত ভ্রমণের সময় কমাল থাইল্যান্ড

অস্ট্রেলিয়ায় স্ত্রী ও দুই প্রতিবন্ধী সন্তানকে হত্যা করে পুলিশে খবর দিলেন বাংলাদেশি

ট্রাম্পের সতর্কবার্তার পরও ‘স্বাধীন ও সার্বভৌম’ দাবিতে অনড় তাইওয়ান

ব্যাংককে ট্রেন-বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত অন্তত ৮

মধ্যপ্রাচ্য থেকে সাড়ে ৯ হাজার লোক সরিয়ে নিয়েছে ফিলিপাইন

ফিলিপাইনের সিনেটে আইসিসির পরোয়ানাভুক্ত সিনেটরকে ধরতে অভিযান, গুলির শব্দ

কারামুক্ত হলেন থাকসিন সিনাওয়াত্রা

শিশু ধর্ষণের অভিযোগে শ্রীলঙ্কায় বিশ্বখ্যাত বৌদ্ধ ভিক্ষু গ্রেপ্তার