হোম > বিশ্ব > ইউরোপ

মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমান, কাতার-সাইপ্রাসে টাইফুন, এফ-৩৫ মোতায়েন

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার ও টাইফুন যুদ্ধবিমান। ছবি: সংগৃহীত

পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলের আকাশে এফ-৩৫ স্টিলথ ফাইটার ও টাইফুন যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, নিজেদের স্বার্থরক্ষা ও মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তায় এই যুদ্ধবিমানগুলো বর্তমানে ওই অঞ্চলে নিয়মিত টহল দিচ্ছে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিমানবাহিনীর এই টহল কার্যক্রম কাতার, সাইপ্রাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান ও বাহরাইনের আকাশসীমায় পরিচালিত হচ্ছে। এই অভিযানে যুদ্ধবিমানগুলোকে আকাশে জ্বালানি সরবরাহ করে সহায়তা দিচ্ছে ‘ভয়েজার’ রিফুয়েলিং এয়ারক্রাফট। এ ছাড়া বর্তমানে ব্রিটেনের বেশ কিছু অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান সাইপ্রাসের আরএএফ আক্রোতিরি ঘাঁটিতেও অবস্থান করছে।

ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, চলতি মাসের শুরুর দিকে জর্ডানের আকাশে ইরানের তৈরি দুটি ‘শাহেদ’ ড্রোন গুলি করে নামায় ব্রিটিশ রয়্যাল এয়ারফোর্স। এটি ছিল ব্রিটিশ বিমানবাহিনীর ইতিহাসে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে প্রথম কোনো লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস বা ‘কমব্যাট কিল’-এর ঘটনা। ওই সাফল্যের পরই মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানের উপস্থিতি ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হয়েছে।

ধারণা করা হচ্ছে, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই এই পদক্ষেপ নিয়েছে ব্রিটেন। বিশেষ করে ড্রোন হামলা ও আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় ব্রিটিশ বিমানবাহিনী এখন সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।

লিপ-রিডারদের দক্ষতায় ফেঁসে যাচ্ছেন রাজপরিবারের সদস্য ও তারকারা

এখনো মরেননি নেতানিয়াহু, ভিডিওতে দেখালেন হাতের ৫ আঙুল

ইরানে হামলাকে সমর্থন জানাল পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন

যুদ্ধবিরতি বা আলোচনার কোনো প্রস্তাব আমরা দিইনি—ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে দিলেন আরাঘচি

ইরানের পরমাণু স্থাপনা এখন ধ্বংসস্তূপ, নিরাপদ নৌ চলাচলে আলোচনার পথ খোলা: আরাঘচি

কিশোরী মডেলকে আল ফায়েদের ইয়টে পাঠিয়েছিলেন এপস্টেইন

কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ইরান যুদ্ধ শেষ হতে পারে: মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী

বিশ্বের জ্বালানি বাজারের চাবিকাঠি এখন ইরানের হাতে

এক যুদ্ধের ক্ষত নিয়ে আরেক যুদ্ধে আটকে গেল মধ্যপ্রাচ্যের ছোট্ট এই দেশ

ট্রাম্প ও তাঁর মিত্ররা ছাড়া হরমুজ প্রণালি সবার জন্য খোলা: ইরান