যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের ওপর নতুন করে শুল্ক আরোপ করে, তবে তারাও ‘পাল্টা ব্যবস্থা’ গ্রহণ করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেইজিং। সম্প্রতি বেশ কিছু মার্কিন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়, চীন ইরানকে সামরিক সহায়তা দিচ্ছে। চীনের দাবি, এসব প্রতিবেদন ভিত্তিহীন এবং এই ভিত্তিহীন প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে শুল্ক বাড়ানোর হুমকি দিচ্ছে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন আজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, ইরানকে চীনের সামরিক সহায়তা প্রদানের বিষয়ে যেসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘এই মিথ্যা অভিযোগের ওপর ভিত্তি করে যুক্তরাষ্ট্র যদি চীনের ওপর শুল্ক বাড়ানোর পথে হাঁটে, তবে চীনও তার পাল্টা জবাব দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
সামরিক সরঞ্জাম রপ্তানির বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করে বেইজিং জানিয়েছে, ‘চীন সামরিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে নিজ দেশের আইন, বিধিবিধান এবং আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা অত্যন্ত কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে।’
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইরানে নতুন আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা পাঠাচ্ছে চীন। ধারণা করা হচ্ছে, ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পরই ট্রাম্প প্রশাসন চীনের ওপর নতুন শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছে।
এর আগে ৮ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, কোনো দেশ যদি ইরানকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করে, তবে সেই দেশের (যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা) সব পণ্যের ওপর তাৎক্ষণিকভাবে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হবে। নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘কোনো দেশ ইরানকে সামরিক সহায়তা দিলে তাদের সব পণ্যের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্ক কার্যকর হবে।’