হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

এখনো চূড়ান্ত হননি ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা, হয়েছে সংক্ষিপ্ত তালিকা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত তেহরানের গান্ধী হাসপাতালের সামনে ইরানের পতাকা হাতে এক ব্যক্তি। ছবি: এপির সৌজন্যে

দেশি-বিদেশি বিভিন্ন গণমাধ্যমে বুধবার খবর ছড়িয়েছে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হচ্ছেন আয়াতুল্লাহ খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। তবে এখন পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ লেবাননের সংবাদমাধ্যম আল-মায়েদিনের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ইরানের ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস’ বা বিশেষজ্ঞ পরিষদ দেশটির পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা (শর্টলিস্ট) তৈরি করেছে।

পরিষদের সদস্য সৈয়দ আহমদ খাতানি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গত শনিবার ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে সৈয়দ আহমদ খাতানি বলেন, ‘অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টস দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভাব্য নতুন নেতা নির্বাচিত করবে।’ তিনি আরও জানান, পরিষদ নতুন নেতা নির্বাচনের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই এগোচ্ছে। তবে শহীদ খামেনির দাফন অনুষ্ঠান সম্পন্ন হওয়ার আগে চূড়ান্ত বৈঠকটি নাও হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, খামেনির দাফন আগামী সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

খাতানি বলেন, খামেনির ‘শাহাদাতে’র পর শত্রুপক্ষ অ্যাসেম্বলি অফ এক্সপার্টসকে দুর্বল করার চেষ্টা চালাচ্ছে। পরিষদের আরেক সদস্য সৈয়দ মুজতবা হোসেইনি অবশ্য কিছুটা সতর্ক অবস্থান নিয়ে জানিয়েছেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে কত সময় লাগবে তা এখনই নিশ্চিত নয়। কারণ, যোগ্য নেতা নির্বাচনে বেশ কিছু শর্ত ও গভীর আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনি তাঁর কোনো উত্তরসূরি মনোনীত করে যাননি। ফলে ইরানের সংবিধানের ১১১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী একটি ‘অন্তর্বর্তীকালীন নেতৃত্ব পরিষদ’ গঠন করা হয়েছে। নতুন নেতা নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এই পরিষদই সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করবে। এই পরিষদের সদস্যরা হলেন—ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান, বিচার বিভাগের প্রধান গোলাম হোসেন মহসেনি ইজেই ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের ফকিহ (আইনবিদ) শেখ আলিরেজা আরাফি।

ইরানের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ নেতার (বলি-ই-ফকিহ) পদটি সবচেয়ে শক্তিশালী। রাষ্ট্রের নির্বাহী, আইনসভা এবং বিচার বিভাগের ওপর তাঁর একক কর্তৃত্ব রয়েছে। ১৯৮৯ সালের জুনে ইসলামী প্রজাতন্ত্রের প্রতিষ্ঠাতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর আলী খামেনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন এবং প্রায় ৩৬ বছর ইরান শাসন করেছেন।

ইরান শুধু একটি দেশকে হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে—দাবি

শ্রীলঙ্কার উপকূলে ইরানের জাহাজডুবি—দায় এড়াল ভারত

কোটি কোটি টাকা নিয়ে দুবাই থেকে পালানোর পথ খুঁজছেন অতি ধনীরা

প্রতিবেশী দেশগুলোতে হামলার ব্যাখ্যা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

তুরস্কের আকাশে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র, রাষ্ট্রদূতকে তলব

ইসরায়েলি হামলায় হাজারো ইরানি সেনা নিহতের দাবি

সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রে হামলা চালানোর মতো ক্ষেপণাস্ত্র কি ইরানের আছে

সাইরেন বাজলেই যা করছেন ইসরায়েলিরা

ইরান যুদ্ধে চীন-রাশিয়া কোনো ফ্যাক্টর নয়: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের ‘দাস’ হবে না স্পেন—উপ-প্রধানমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি