হোম > বিশ্ব

পাকিস্তান বনাম ভারত: কোন দেশের পারমাণবিক অস্ত্র বেশি 

বিশ্বে পারমাণবিক অস্ত্রধর দেশের সংখ্যা ৯। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পারমাণবিক অস্ত্র আছে রাশিয়ার কাছে। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাষ্ট্র। ৫০০ পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে চীন। ভারতীয় উপমহাদেশের দুই দেশ—ভারত ও পাকিস্তানের কাছে খুব বেশি পারমাণবিক অস্ত্র না থাকলেও যা আছে সেটা নেহাত কম না।

গতকাল সোমবার পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়াদি নিয়ে কাজ করা সুইডিশ থিংক ট্যাংক স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (এসআইপিআরআই) এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তিধর দেশগুলো তাদের অস্ত্রভান্ডার আরও উন্নত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

এসআইপিআরআইর তথ্য অনুসারে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি নাগাদ বিশ্বে বর্তমানে ১২ হাজার ১২১টি পারমাণবিক অস্ত্র আছে বলে জানা গেছে, যার মধ্যে ৯ হাজার ৫৮৫টি ব্যবহারযোগ্য। এর মধ্যে ৩ হাজার ৯০৪টি পারমাণবিক অস্ত্র বিভিন্ন ধরনের যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র যুক্ত করা আছে। যেগুলো যেকোনো সময় হামলা চালাতে সক্ষম।

 
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বে যে পরিমাণ পারমাণবিক অস্ত্র আছে, তার মধ্যে ৯০ শতাংশই রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। রাশিয়ার কাছে আছে ৪ হাজার ৩৮০টি অস্ত্র এবং যুক্তরাষ্ট্রের আছে ৩ হাজার ৭০৮টি অস্ত্র। অনুমান করা হয়, ব্রিটেনের কাছে আছে ২২৫টি পারমাণবিক অস্ত্র ও ফ্রান্সের কাছে ২৯০টি অস্ত্র।

ভারতীয় উপমহাদেশে পারমাণবিক অস্ত্রের মজুত আছে দুটি দেশের কাছে। দেশগুলো হলো—ভারত ও পাকিস্তান। পাকিস্তানের কাছে পারমাণবিক অস্ত্র আছে ১৭০টি। বিপরীতে ভারতের কাছে আছে ১৭২টি। অর্থাৎ, ভারতের কাছে দুটি পারমাণবিক অস্ত্র বেশি আছে।

ইরানে বিক্ষোভে নিহত ২০০০, বেসরকারি সূত্রমতে ১২০০০

বাংলাদেশের বাহিনীগুলোর কোনো পদক্ষেপ ভারতের বিরুদ্ধে নয়: ভারতীয় সেনাপ্রধান

চলচ্চিত্র ইস্যুতে থালাপতি বিজয়ের পাশে রাহুল, জোটের রাজনীতি নিয়ে গুঞ্জন

২০২৫ সালে ১ লাখের বেশি ভিসা বাতিল করেছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিনদের দ্রুত ইরান ছাড়তে বলল ট্রাম্প প্রশাসন

যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত ইরান, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে যাচাই করে দেখতে পারে: আরাগচি

বাংলাদেশের তিন পাশে এবার পাঁচটি এয়ারস্ট্রিপ পুনরায় চালু করছে ভারত

হাজারো মানুষকে বাংলাদেশে ঠেলে দিতে দেশের আইনেরও তোয়াক্কা করছে না ভারত

আরব আমিরাতকে বন্দর-সামরিক ঘাঁটি থেকে বের করে দিতে চায় সোমালিয়া, সব চুক্তি বাতিল

এখনো ইরানে হামলার কথা ভাবছে ট্রাম্প প্রশাসন