স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছিলেন আসামি বিল্লাল। তদন্ত কর্মকর্তাকে বলেছিলেন, আদালতে অপরাধ স্বীকার করে জবানবন্দি দেবেন। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেটের খাস কামরায় নেওয়ার পর তিনি স্বীকারোক্তি দিতে অস্বীকৃতি জানান।
ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাত হোসাইন মোহাম্মদ জুনাইদের আদালতে আজ বৃহস্পতিবার এ ঘটনা ঘটে।
দ্বিতীয় দফায় তিন দিনের রিমান্ড শেষে বিল্লালকে আজ আদালতে হাজির করে তেজগাঁও থানা-পুলিশ। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাঁর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করার আবেদন করেন। এরপর তাঁকে ম্যাজিস্ট্রেটের খাস কামরায় নেওয়া হয়। সেখানে তিনি স্বীকারোক্তি দিতে রাজি হননি। হত্যাকাণ্ডের দায় না নেওয়ায় ফের এই আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত।
রাজধানীর তেজগাঁওয়ের তেজতুরী বাজারে স্টার কাবাবের পেছনের গলিতে ৭ জানুয়ারি রাত সাড়ে ৮টার দিকে মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় তাঁর সঙ্গে থাকা কারওয়ান বাজার ভ্যান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানও গুলিবিদ্ধ হন।
ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মুছাব্বির। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে বেশ কয়েকবার গ্রেপ্তার হন তিনি।
ঘটনার পরদিন অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচজনকে আসামি করে তেজগাঁও থানায় মামলা করেন মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম।
এই মামলার আরেক আসামি শুটার জিন্নাত এরই মধ্যে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় নিয়েছেন। জিন্নাত ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে আদালতকে জানান, রহিম, বিল্লাল ও কাদের—এই তিন ভাইয়ের পরিকল্পনায় মুছাব্বিরকে হত্যা করা হয়। পরিকল্পনা সমন্বয় করেন বিল্লাল।