হৃদ্রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হার্টের রিং বা করোনারি স্টেন্টের পুনর্নির্ধারিত মূল্য বাস্তবায়নে দেশের হাসপাতালগুলোকে চিঠি দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার অধিদপ্তর এ নির্দেশনা জারি করে।
চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশনা এবং বিশেষজ্ঞ পরামর্শক কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে আমদানি করা বিভিন্ন ধরনের করোনারি স্টেন্টের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।
অধিদপ্তরের চিঠিতে হাসপাতালগুলোর জন্য চারটি জরুরি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো—হার্টের রিংয়ের নতুন মূল্যতালিকা সংশ্লিষ্ট সব হাসপাতালের নোটিশ বোর্ডে সর্বসাধারণের অবগতির জন্য প্রদর্শন করতে হবে; রিংয়ের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (এমআরপি) অনুসরণ করে ক্রয়-বিক্রয় নিশ্চিত করতে হবে; এটিকে কোনোভাবেই হাসপাতালের চিকিৎসা প্যাকেজের অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না এবং কোনো অবস্থাতেই পুরোনো বা বর্ধিত মূল্যে রিং বিক্রি করা যাবে না।
চিঠিতে জানানো হয়, বিভিন্ন মডেলের হার্টের রিংয়ের দাম সর্বনিম্ন ১ হাজার টাকা থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৪৭ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। এর মধ্যে ‘সিলিন কাভার্ড স্টেন্ট’ রিংয়ের দাম ১ লাখ ৯ হাজার ৮০০ টাকা থেকে কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৬২ হাজার টাকা। এ ছাড়া ‘ম্যাগমা র্যাপামাইসন’ রিংয়ের দাম ৩৭ হাজার থেকে কমিয়ে ৩০ হাজার টাকা করা হয়েছে।
এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২৮ ধরনের হার্টের রিংয়ের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য কমানোর ঘোষণা দেয়। তবে তিন মাসের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও অনেক হাসপাতাল ও চিকিৎসাকেন্দ্রে পুরোনো দামেই স্টেন্ট বিক্রির অভিযোগ ওঠে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের পরিচালক আখতার হোসেন বলেন, ‘নতুন দামে হার্টের রিং বিক্রি না করা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হাসপাতালগুলোয় আমাদের তদারকি আরও জোরদার করা হবে।’