খাদ্যাভ্যাস শুধু শারীরিক সুস্থতার জন্যই নয়, মানসিক ও আবেগীয় স্বাস্থ্যের জন্যও খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘নিউট্রিশনাল সাইকিয়াট্রি’ বা পুষ্টি মনস্তত্ত্বের মাধ্যমে এটি স্পষ্ট হয়েছে যে খাবারের সঙ্গে মনমেজাজের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের পরিপাকতন্ত্রের সঙ্গে মস্তিষ্কের এক নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে। একে ‘গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস’ বলা হয়। গাটে কোটি কোটি উপকারী অণুজীব থাকে, যা মস্তিষ্কের মুড, ঘুম ও আবেগ নিয়ন্ত্রণকারী নিউরোট্রান্সমিটার তৈরিতে ভূমিকা রাখে। তাই এটিকে বলা হয় শরীরের ‘দ্বিতীয় মস্তিষ্ক’। স্বাস্থ্যকর খাবার এই অণুজীবগুলোকে ভালো রাখে, যা পরোক্ষভাবে মানসিক চাপ কমিয়ে আনে।
মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য নিউট্রিয়েন্ট-সমৃদ্ধ সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাবার খাওয়া উচিত। গবেষকেরা ‘মেডিটেরেনিয়ান ডায়েট’ বা ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্যাভ্যাস অনুসরণের পরামর্শ দেন। এই খাদ্যাভ্যাস বিষণ্নতার ঝুঁকি অন্তত ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমে। ফলমূল, শাকসবজি ও পূর্ণাঙ্গ পুষ্টিকর খাবার বেশি খেলে মানসিক চাপ কমে এবং মেজাজ ভালো থাকে।
ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, বাদাম, শিমজাতীয় খাবার, অলিভ অয়েল, দুগ্ধজাত পণ্য এবং ফারমেন্টেড বা গাঁজানো খাবার।