বয়স ষাট পার হলে পেশির ভর ও হাড়ের শক্তি কমতে শুরু করে এবং মেটাবলিজম বা ক্যালরি ক্ষয়ের গতি ধীর হয়ে যায়। এ বয়সে দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি কমাতে এবং সক্রিয় জীবনযাপন বজায় রাখতে পুষ্টিকর ও সুষম খাদ্যাভ্যাস অপরিহার্য। ৬০ বছরের ঊর্ধ্ব বয়সের মানুষের জন্য সুনির্দিষ্ট কোনো একক ডায়েট নেই। কারণ, প্রত্যেকের পুষ্টির চাহিদা ভিন্ন। তবে সুস্থ ও সক্রিয় থাকতে একটি সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
ফল ও শাকসবজি: প্লেটের অর্ধেক অংশ অ-স্টার্চযুক্ত রঙিন সবজি ও ফলে পূর্ণ রাখুন।
হোল গ্রেইন: ওটমিল, লাল চালের ভাত ও লাল গমের রুটি।
প্রোটিন ও ডেইরি: সামুদ্রিক মাছ, চর্বিহীন মাংস, ডিম, ডাল, বাদাম, বীজ এবং ফ্যাট-মুক্ত বা কম ফ্যাটের দুধজাতীয় খাবার।
প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলা এবং প্লেটের এক-চতুর্থাংশ প্রোটিন ও বাকি এক-চতুর্থাংশ স্বাস্থ্যকর কার্বোহাইড্রেট দিয়ে সাজানো উচিত। অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয়ের বদলে পানি, দুধ বা চিনি ছাড়া চা-কফি পান করা ভালো।
পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ‘মেডিটেরানিয়ান ডায়েট’ বেশ কার্যকর। অনেকে নিরামিষ ডায়েট বেছে নেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া হুট করে কোনো খাবার বাদ দেওয়া অনুচিত। নতুন কিছুর চেয়ে নিজের স্বাভাবিক খাবারের ভেতরেই ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনা সবচেয়ে ভালো।