রান্নাঘরের একটি পরিচিত ও সুবাসিত মসলা লবঙ্গ বা লং। মিষ্টি এবং ঝাঁজালো স্বাদের পাশাপাশি এতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও নানা প্রয়োজনীয় খনিজ উপাদান, যা শরীরে জাদুকরি ভূমিকা রাখে।
মাত্র এক চা-চামচ গুঁড়া লবঙ্গে রয়েছে দৈনিক চাহিদার ৫৫ শতাংশ ম্যাংগানিজ। এটি হাড় গঠন ও মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে অপরিহার্য।
শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট লবঙ্গে থাকা ‘ইউজেনল’ নামক উপাদান কোষের ক্ষয়রোধ করে এবং ক্রনিক রোগের ঝুঁকি কমায়।
লবঙ্গ রক্ত থেকে কোষে শর্করা শোষণে সাহায্য করে এবং ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়িয়ে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখায় সহায়ক।
প্রাকৃতিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল উপাদান থাকায় এটি মুখের ব্যাকটেরিয়া মেরে দাঁত ও মাড়ির স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
ইউজেনল ও ম্যাংগানিজ লিভারের ক্ষয়পূরণ করে এবং হাড়ের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে।
এ ছাড়া অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি কমায়।
গবেষণায় দেখা গেছে, লবঙ্গ পাকস্থলীর আলসারের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া দূর করতে এবং ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি কমিয়ে আনতে সাহায্য করতে পারে।
চা, স্যুপ, তরকারি বা পিঠা-পায়েসে সামান্য গুঁড়া লবঙ্গ ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো। তবে লবঙ্গের তেল প্রাকৃতিকভাবে অত্যন্ত তীব্র। তাই অতিরিক্ত লবঙ্গ তেল খেলে লিভারের ক্ষতি হতে পারে। রক্ত পাতলা করার ওষুধ বা ডায়াবেটিসের ওষুধ খেলে চিকিৎসকের পরামর্শে লবঙ্গ সেবন করা উচিত।
সূত্র: হেলথ লাইন