বাংলাদেশের যে কয়টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ ডিগ্রি নেওয়ার সুযোগ রয়েছে, এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ সেরা ইনস্টিটিউটগুলোর একটি। তাই এখানকার পরীক্ষার ধরনটাও অন্যগুলোর তুলনায় একটু কঠিন। কিন্তু একদমই অসম্ভব নয়!
আইবিএর পরীক্ষায় চারটি সেকশন আছে—গণিত, ইংরেজি, অ্যানালিটিকাল ও লিখিত ইংরেজি। প্রথম তিনটি দেড় ঘণ্টার অবজেকটিভ পরীক্ষা, আর শেষেরটি লিখিত পরীক্ষা আধা ঘণ্টার হয়ে থাকে। নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষার সময় ৯০ মিনিট। এখানে তিনটি অংশ থাকে—ইংরেজি (৩০ নম্বর), গণিত (৩০ নম্বর), অ্যানালিটিকাল (১৫ নম্বর)।
অ্যানালিটিকালের প্রস্তুতি
অ্যানালিটিকালেও যথারীতি তিনটি অংশ আছে: পাজল সলভিং, ক্রিটিক্যাল রিজনিং ও ডেটা ইফিসিয়েন্সি। এই সেকশনটা বেশ মজার। একটু পরিকল্পনামাফিক প্রস্তুতি নিলে এই অংশে বেশ ভালো একটা নম্বর তোলা সম্ভব। যারা এখানে ভালো নম্বর পাবে, তারাই প্রাথমিক বাছাইয়ে এগিয়ে থাকবে।
সমবণ্টন
অ্যানালিটিকাল অংশ সমাধানের সময় সর্বোচ্চ ২০ মিনিট রাখা যেতে পারে। না হলে গণিত বা ইংরেজি লিখে শেষ করা যাবে না। এই অংশটুকু শুরুতেই সমাধান করা যায়। পরিকল্পনামাফিক এগোলে সময়ের মধ্যেই প্রশ্ন সমাধান করা সম্ভব। যেমন পাজল মূলত দুইটা আসে। একটা সমাধান করে দ্বিতীয়টা সবার শেষে করা যেতে পারে। অনুশীলন করে তাড়াতাড়ি সমাধানের চেষ্টা করতে হবে।
নেগেটিভ মার্কিং
প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর করে কাটা হবে। তাই একদম নিশ্চিত না হয়ে উত্তর ভরাট করবে না এবং ভর্তি পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর কখনোই অনুমোদিত নয়।
লাবিব আল তাসফি, তৃতীয় স্থান অধিকারী, ঢাবি আইবিএ (২০২১-২২)
অনুলিখন: মুসাররাত আবির