মাত্র দিন দশেক আগেও হাড়কাঁপানো শীত পড়েছিল। কিন্তু মাঘে শীতের কাঁপুনি তো দূরে থাক, শহরাঞ্চলে সামান্য গরমও অনুভূত হচ্ছে। গতকাল ফেনী শহরে তাপমাত্রা ৩৫ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে উঠেছিল। আর আজ রোববার সকালে দেশে কোনো শৈত্যপ্রবাহ নেই। একমাত্র ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়।
আজ সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, কোনো অঞ্চলের তাপমাত্রা কমপক্ষে দুই দিন ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা এর নিচে নেমে গেলে সেখানে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ থাকে। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় আজ তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকলেও তাই শৈত্যপ্রবাহ বলা হচ্ছে না।
দেশে কি মাঘ মাসে এবার শৈত্যপ্রবাহ আসছে না?— এই প্রশ্নের উত্তরে আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানা বলেন, ‘ফেব্রুয়ারি মাসে (মধ্য মাঘ) বাংলাদেশে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার রেকর্ড আছে। তবে ২২ জানুয়ারির পর দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কমতে পারে।’
এদিকে আজ সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ সারা দেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কিছু এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সারা দেশে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
আগামীকাল ১৯ জানুয়ারি একইরকম আবহাওয়া থাকতে পারে। তবে পরদিন ২০ জানুয়ারি আবহাওয়া শুষ্ক থাকলেও শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোনো কোনো এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।
অবশ্য ২১ জানুয়ারি থেকে কুয়াশার পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে রাত ও দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে এবং এ ছাড়া দেশের অন্যত্র তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
আজ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ১৫ দশমিক ৫, রাজশাহীতে ১১ দশমিক ৩, রংপুরে ১২ দশমিক ৫, ময়মনসিংহে ১৪, সিলেটে ১৪ দশমিক ৭, চট্টগ্রামে ১৬ দশমিক ৫, খুলনায় ১৩ দশমিক ১ এবং বরিশালে ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।