‘দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫’ পেয়েছেন পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবদান রাখা ছয় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান। আজ শুক্রবার রাজধানীর বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে পদক ও সম্মাননা তুলে দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসঙ্গে হাতে হাত রেখে এগোবে। এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানুষের কল্যাণ একই ধারায় এগিয়ে যাবে।’
মন্ত্রী বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর বিলাসিতা বা বিকল্প নয়, এটি জাতীয় দায়িত্ব। পদকপ্রাপ্তরা তাঁদের কাজের মাধ্যমে দেখিয়েছেন, একজন ব্যক্তি বা একটি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে।’
মন্ত্রী জানান, সরকারের ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’-এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এই কর্মসূচিকে পরিবেশ সংরক্ষণের একটি সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এবার ‘নিসর্গ পুরস্কার’ পেয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষক অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান। ‘জীববৈচিত্র্য পুরস্কার’ পেয়েছে টেকসই কৃষি উদ্যোগ ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’। ‘বৃক্ষসখা সম্মাননা’ পেয়েছেন তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে অবদান রাখা মো. বাদশা মিয়া।
এ ছাড়া ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা তৈরিতে ‘সবুজ সারথী সম্মাননা’ পেয়েছেন উম্মে কুলসুম পপি। প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় অবদানের জন্য ‘নবীন নিসর্গী সম্মাননা’ পেয়েছেন সুমাইয়া মারিয়ম। আর সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অবদানের জন্য ‘পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা’ পেয়েছেন অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব।
অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।