হোম > পরিবেশ

ঢাকার বাতাসে সহনীয় দূষণ, সবচেয়ে বেশি কিনশাসায়

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফাইল ছবি

রাজধানীর বাতাসে দূষণের মাত্রা সহনীয় পর্যায়ে আছে বলে সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা আইকিউএয়ারের র‍্যাঙ্কিংয়ে বলা হয়েছে। সাধারণত বৃষ্টি হলে ঢাকায় বায়ুদূষণের মাত্রা কমে আসে।

আজ বুধবার (২২ জুলাই) আইকিউএয়ারের সকাল ৮টা থেকে ৯টা সময়সীমার রেকর্ডে দেখা যায়, বিশ্বে সর্বোচ্চ দূষিত শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান ২৬তম, যা গতকাল ছিল ৮ম। আর ঢাকার এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ৭৫, যা গতকাল ছিল ১২২।

রিয়েল-টাইম একিউআই স্টেশন র‍্যাঙ্কিংয়ে দেখা যায়, ঢাকার কিছু জায়গায় দূষণের মাত্রা সহনীয় থেকে সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর অবস্থায় আছে। এর মধ্যে উত্তর বাড্ডা এলাকার বাতাস সবচেয়ে দূষিত অবস্থায় আছে। এলাকাটির আইকিউএয়ার স্কোর ১১২, যা সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।

র‍্যাঙ্কিং তালিকায় আরও যেসব এলাকা রয়েছে— ধানমন্ডি, বারিধারার পার্ক রোড, পুরান ঢাকার বেচারাম দেউড়ি, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস, গুলশান লেক পার্ক, গুলশানের বেজ এজওয়াটার আউটডোর, গুলশানের গ্রেস ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, গোড়ান ও গুলশান ২-এর রব ভবন।

বিশ্বজুড়ে বায়ুমান নিয়ে গবেষণা করা এই প্রতিষ্ঠানটি বলছে, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি বায়ুদূষণ হচ্ছে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্য কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায়। শহরটির এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স স্কোর ১৮৭, যা সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর বাতাসের নির্দেশক।

আইকিউএয়ারের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে থাকা বিশ্বের অন্য শহরগুলো হলো— ভিয়েতনামের হ্যানয় (১৫৪, সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর), সৌদি আরবের রিয়াদ (১৩৪, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর), ইসরায়েলের জেরুজালেম (১১৮, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর) ও মিশরের কায়রো (১১৫, সংবেদনশীল মানুষের জন্য অস্বাস্থ্যকর)।

বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী, বায়ুমান সূচক ৫০-এর নিচে থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে তা সহনীয়। ১০১ থেকে ১৫০-এর মধ্যে হলে সতর্কতামূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১ থেকে ২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর এবং সূচক ২০১ থেকে ৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। আর সূচক ৩০০ ছাড়ালে সেই বাতাস দুর্যোগপূর্ণ।

বায়ুদূষণজনিত স্বাস্থ্য সমস্যায় প্রতিবছর বহু মানুষ মারা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, গৃহস্থালি ও পারিপার্শ্বিক বায়ুদূষণের সম্মিলিত প্রভাবে বছরে ৬৭ লাখ মানুষ মারা যায়।

বাতাসের বিপজ্জনক পরিস্থিতিতে করণীয়

অত্যন্ত সংবেদনশীল গোষ্ঠী: শিশু, বয়স্ক, হৃদ্‌রোগ বা শ্বাসকষ্টের রোগীরা সব ধরনের ঘরের বাইরে না যাওয়াই ভালো।

সাধারণ সুস্থ ব্যক্তি: তাদের উচিত বাইরে কাটানো সময় সীমিত করা এবং শারীরিক পরিশ্রমের কাজ এড়িয়ে চলা।

যদি বাইরে বের হতে হয়, তবে অবশ্যই দূষণ রোধে কার্যকর মাস্ক ব্যবহার করুন।

ঘরের ভেতরের বাতাস পরিষ্কার রাখতে এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করুন এবং দূষিত বাতাস প্রবেশ ঠেকাতে জানালা ও দরজা বন্ধ রাখুন।

ঢাকাসহ ১৭ অঞ্চলের ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

ঢাকায় বাড়ছে বায়ুদূষণ, শিশুদের জন্য সতর্কতা

ঢাকায় আবহাওয়া আজ থাকবে যেমন

১৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, ঢাকায় কমবে তাপমাত্রা ২ ডিগ্রি

সরকারের ইশতেহার মিলিয়ে প্রকল্প সাজানোর নির্দেশ

দেশজুড়ে আগামী ৫ দিন বৃষ্টির দাপটের পূর্বাভাস

দেশজুড়ে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, নদীবন্দরগুলোতে ১ নম্বর সতর্কসংকেত

ঢাকায় সহনীয় মাত্রায় বায়ুদূষণ, সবচেয়ে বেশি কিনশাসায়

ঢাকায় বৃষ্টির পূর্বাভাস, তাপমাত্রা থাকবে যেমন

ঢাকার গুলশানে বাড়ছে বায়ুদূষণ, যেসব এলাকায় সতর্কতা