রোজার ঈদে প্রচারের জন্য তপু খান বানিয়েছেন নাটক ‘হ্যাপি ডিভোর্স’। নাটকটি লিখেছেন টিউন তেহরিন। বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারহান আহমেদ জোভান, কেয়া পায়েল, সুব্রত, শামীমা নাজনীন, রোজী সিদ্দিকী, সমাপ্তি মাসুক ও তাহমিনা সুলতানা মৌ।
এক দম্পতির সন্তানধারণের গল্প দিয়ে রচিত হয়েছে হ্যাপি ডিভোর্সের চিত্রনাট্য। এই দম্পতির চরিত্রে অভিনয় করেছেন জোভান ও কেয়া পায়েল। এই দম্পতিকে ঘিরে আছে জোভানের বাবা (সুব্রত) ও মা (শামীমা নাজনীন)। কেয়া পায়েলের মা (রোজী সিদ্দিকী), বোন তাহমিনা সুলতানা মৌ ও দুলাভাই (সমাপ্তি মাসুক)। গত সপ্তাহে শুটিং হয়েছে নাটকটির। ঈদ উপলক্ষে ইউটিউবে প্রকাশ করা হবে হ্যাপি ডিভোর্স।
নাটকটিতে অভিনয় প্রসঙ্গে জোভান বলেন, ‘নাটকে আমি ও পায়েল স্বামী-স্ত্রী। মূলত আমাদের সন্তান নেওয়াকে ঘিরেই গল্প। কারণ, আমার মা-বাবা নাতি-নাতনির মুখ দেখতে চায়। নানা রকম হাস্যরসের মধ্য দিয়ে বাস্তবতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে নাটকটিতে। গল্পটা খুব সুন্দর। সবাই মিলে চেষ্টা করেছি একটি ভালো কাজ উপহার দেওয়ার। সবার ভালো লাগলে আমাদের চেষ্টা সফল হবে।’
কেয়া পায়েল বলেন, ‘ঈদের নাটক হিসেবে হ্যাপি ডিভোর্স দর্শকের জন্য উপভোগ্য হবে। গল্পের ভাবনাটা আমার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছে। এই নাটকে বেশ কজন সিনিয়র শিল্পীর সঙ্গে কাজ করলাম। দারুণ অভিজ্ঞতা হলো। তাঁদের অভিনয় মুগ্ধ করবে দর্শকদের।’
অভিনেত্রী রোজী সিদ্দিকী বলেন, ‘সব মিলিয়ে মনে হয়েছে তপু বেশ যত্ন নিয়েই নাটকটি নির্মাণের চেষ্টা করেছে। সবাই যথেষ্ট শ্রম দিয়েছে কাজটি যেন ভালো হয়। আশাবাদী আমি।’
সমাপ্তি বলেন, ‘অনেক শিল্পীর সমন্বয়ে নাটক নির্মাণ এখন কমে গেছে। সেই দিক থেকে এই নাটকটি ব্যতিক্রম হলো। এর গল্পটাও সুন্দর। সব মিলিয়ে দর্শকদের ভালো লাগার মতোই হয়েছে নাটকটি। তপু খানকে ধন্যবাদ বহু চরিত্রের এমন গল্প নির্বাচনের জন্য।’ মৌ বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর সবার সঙ্গে এ নাটকে কাজ করে খুব ভালো লেগেছে।’