হোম > বিনোদন

ফিল্ম আর্কাইভে রাখা হবে বুলবুল আহমেদের ব্যবহৃত সামগ্রী ও পুরস্কার

বিনোদন প্রতিবেদক, ঢাকা

বুলবুল আহমেদের ব্যবহৃত সামগ্রী ও পুরস্কার হস্তান্তর করেন তাঁর স্ত্রী ডেইজি আহমেদ ও মেয়ে তিলোত্তমা। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের চলচ্চিত্রজগতের এক উজ্জ্বল তারকা বুলবুল আহমেদ। তিনি ছিলেন একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক। আজ প্রয়াত এই শিল্পীর জন্মদিন। এ উপলক্ষে গতকাল বুলবুল আহমেদের শিল্পীজীবনে অর্জিত বিভিন্ন পুরস্কার ও ব্যবহৃত সামগ্রী সংরক্ষণের জন্য বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে প্রদান করা হয়।

দেশের চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদানের জন্য বুলবুল আহমেদের অর্জিত এসব পুরস্কার জাতীয় সম্পদ হিসেবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষণের উদ্দেশ্যেই পরিবারের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার এসব পুরস্কার ও সামগ্রী ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক ম. জাভেদ ইকবালের কাছে হস্তান্তর করেন বুলবুল আহমদের স্ত্রী ডেইজি আহমেদ ও মেয়ে তিলোত্তমা।

প্রতিবছর ৪ সেপ্টেম্বর বুলবুল আহমেদের জন্মদিনকে ঘিরে পরিবার ও অনুরাগীদের নানা আয়োজন থাকে। এ বছর বিশেষ উদ্যোগ হিসেবে অভিনেতার দীর্ঘ শিল্পীজীবনের অর্জন বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মিউজিয়ামে সংরক্ষণের জন্য দান করার মধ্য দিয়ে দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাঁর পরিবার। তাঁদের প্রত্যাশা, বুলবুল আহমেদের অর্জিত সম্মাননাগুলো বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভে সংরক্ষিত হওয়ার মাধ্যমে তাঁর কর্ম ও কীর্তি আগামী প্রজন্মের কাছে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে বেঁচে থাকবে।

১৯৫৮ সালে মঞ্চনাটক দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু বুলবুল আহমেদের। টেলিভিশনে অভিষেক হয় ১৯৬৮ সালে আবদুল্লাহ আল-মামুনের ‘পূর্বাভাস’ নাটক দিয়ে। সিনেমায় নাম লেখান ১৯৭৩ সালে, আবদুল্লাহ ইউসুফ ইমামের (ইউসুফ জহির) ‘ইয়ে করে বিয়ে’ সিনেমার মাধ্যমে।

১৯৭৬ সালে আলমগীর কবির পরিচালিত ‘সূর্যকন্যা’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জহির রায়হান পুরস্কার লাভ করেন তিনি। চারবার পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। ২০১০ সালের ১৫ জুলাই প্রয়াত হন অভিনেতা বুলবুল আহমেদ।