সম্পূরক বৃত্তির দাবিকে উপেক্ষা করা ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার না হওয়ার কারণ দেখিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ পুরো প্রশাসনকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
আজ সোমবার (৯ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষাশহীদ রফিক ভবনের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয় তারা।
লিখিত বক্তব্যে শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সদস্য এবং বিভিন্ন স্বনামধন্য পত্রিকার সাংবাদিকদের ওপর সংঘটিত হামলা ও অমানবিক আচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।’
হিমেল বলেন, কেন্দ্রীয় সংসদের সুস্পষ্ট নির্দেশনা মেনে সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রমে কোনো ধরনের অযাচিত হস্তক্ষেপ করেনি ছাত্রদল। তবে ওই ঘটনা নিয়ে কিছু গণমাধ্যম উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রদলকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করেছে।
মেহেদী হাসান হিমেল বলেন, ‘যে ভিসি শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি ‘‘সম্পূরক বৃত্তি’’ দিতে পারে না এবং সাংবাদিক সমিতিতে ন্যক্কারজনক হামলার বিচার করতে পারে না, তাদের প্রশাসনে থাকার দরকার নেই। তারা একটা নির্দিষ্ট দলের অ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য গদিতে বসে আছে। আমরা বুঝে গেছি, এই অথর্ব প্রশাসন দিয়ে কিছু হবে না। আমরা আরও দেখেছি, এই প্রশাসনের আমাদের স্বপ্নের দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নিয়ে কোনো পদক্ষেপ নেই। তারা প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যর্থ। এ জন্য আমরা তাদের আমাদের ক্যাম্পাস থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছি।’
হিমেল আরও বলেন, ‘আমরা ভিসি ও প্রক্টরের কাছে সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিচার চেয়েছি। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, গত তিন দিন ধরে ভিসি-প্রক্টর স্যার ক্যাম্পাসে আসেন না এবং এই হামলার বিচারের জন্য কোনো কমিটিও গঠন করা হয় নাই।’
সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমেদ, সুমন সরদার, মো. মোস্তাফিজুর রহমান রুমি, মো. শাহরিয়ার হোসেন, মাহমুদুল হাসান, রবিউল আউয়ালসহ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।