হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

ভোটের ধীরগতি ও কালি নিয়ে শঙ্কা ছাত্রশিবির-সমর্থিত ভিপি প্রার্থীর

চবি, প্রতিনিধি

মো. ইব্রাহীম হোসেন রনি। ছবি: আজকের পত্রিকা

চাকসু নির্বাচনে ভোটের ধীরগতি ও কালি নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্যানেলের সহসভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মো. ইব্রাহীম হোসেন রনি। আজ ভোট দেওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে তিনি বলেন, ‘আমরা কয়েকটি জায়গায় শুনেছি, ভোটের ধীর গতি। আমরা নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ জানাব, যেহেতু ভোটার সংখ্যা অনেক বেশি, ২৮ হাজার ভোটার, তো অবশ্যই প্রধান নির্বাচনার কমিশনার স্যারসহ যাঁরাই দায়িত্বে আছেন, তাঁরা বিষয়টা দেখবেন।’

ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসে এ রকম যেন না হয় যে আমাদের কোনো ভাইবোন ভোট দিতে এসে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে পারেননি। এটা হলে আমাদের আসলে কষ্ট থেকে যাবে। এ জন্য আমরা আহ্বান জানাব, ভোটের গতি কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়, এটা নিয়ে কাজ করার।’

ভোটের কালি নিয়ে সাংবাদিকদের কাছে ইব্রাহীম হোসেন রনি বলেন, ‘আমি মাত্র ভোট দিয়ে বের হয়ে আসলাম। আমি মুছতেছি আপনাদের সামনেই। কালিটি মুছে যাচ্ছে।’

আজ বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে বেলা ১১টার মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল অনুষদ ভবন কেন্দ্রে ভোট দেন ইব্রাহীম হোসেন রনি। তিনি বলেন, ‘আমি সোহরাওয়ার্দী হলের একজন ভোটার এবং প্রার্থীও। ভোটের পরিবেশ খুব ভালো মনে হয়েছে। আমার মনে হয়, ভোট গ্রহণের সিস্টেম সবকিছু মিলিয়ে ভালো ছিল। আমরা বলেছিলাম, শিক্ষার্থী ভাইবোনেরা যদি নিরাপদে ক্যাম্পাসে আসতে পারে, এই যাতায়াতটা যদি সহজ হয়, সকলেই ভোটকেন্দ্রে আসবে বলে আমি মনে করি।’

আর পি সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু

উচ্চতর গবেষণার পরিবেশ গড়ে তুলেছে ইউজিসি

জার্মানির হফ বিশ্ববিদ্যালয়ে বুটেক্সের তিন শিক্ষার্থীর থিসিস করার সুযোগ

আনন্দ আয়োজন ও স্মৃতিময় সন্ধ্যা

বেরোবির তিন শিক্ষার্থী বানাচ্ছেন বেদে ডকুমেন্টারি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেন ঢাবির সেই ভিপি প্রার্থী

প্রথম হয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছিল না মুনায়েম, পাশে দাঁড়াল ছাত্রদল

জাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

জবিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি শুরু হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি

আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন ঢাবি উপাচার্য