হোম > শিক্ষা

নজরকাড়া কভার লেটার লেখার কৌশল

ক্যারিয়ার ডেস্ক

চাকরির আবেদনে কভার লেটার একটি ছোট্ট চিঠি। অথচ এই চিঠিই অনেক সময় বড় দরজা খুলে দেয়। একটি গোছানো কভার লেটার আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলতে পারে। নিয়োগকর্তাও আপনার যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করার সুযোগ পান।

নিজের মতো করে লিখুন

কভার লেটার কেবল নিয়ম রক্ষার চিঠি নয়। এখানে আপনি নিজের কথা বলবেন, নিজের ভাষায়। কঠিন শব্দ আর ভারী ভারী কথা বাদ দিন। সহজ ও স্পষ্ট বাক্যই সবচেয়ে সুন্দর। লেখার সহায়ক সরঞ্জাম থেকে সাহায্য নিতে পারেন। তবে চিঠিতে যেন আপনার নিজের গলার সুরই থাকে।

কেন এই প্রতিষ্ঠান, তা বলুন

শুধু নিজের গুণের কথা বললে চলবে না। জানান, কেন এই প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান। তাদের কাজ, লক্ষ্য বা কর্মপরিবেশের কোন দিকটি আপনার ভালো লেগেছে? আপনার দক্ষতা দিয়ে তাদের কীভাবে সাহায্য করতে পারেন? যোগাযোগ বিভাগে কাজ করতে চাইলে প্রতিবেদন লেখা বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালানোর অভিজ্ঞতার কথা লিখতে পারেন। তাতে বোঝা যাবে, আপনি প্রস্তুত।

সঠিক মানুষকে সম্বোধন করুন

সম্ভব হলে নিয়োগকর্তার নাম জেনে নিন। নাম না জানলে আন্দাজে কিছু লিখবেন না। ‘নিয়োগ ব্যবস্থাপক’ লেখাই যথেষ্ট। ভাষা থাকবে ভদ্র ও মার্জিত।

ছোট রাখুন, এক পাতায়

সিভির সব কথা আবার লেখার দরকার নেই। বেছে নিন সবচেয়ে দরকারি অভিজ্ঞতা ও অর্জন। বাড়তি বাক্য ছেঁটে ফেলুন। একই কথা দুবার বলবেন না।

প্রতিটি আবেদনে আলাদা চিঠি

সব জায়গায় একই চিঠি পাঠাবেন না। প্রতিটি পদ আলাদা, প্রতিষ্ঠানও আলাদা। পদের নাম ও প্রতিষ্ঠানের নাম ঠিকঠাক বসান। বিজ্ঞপ্তিতে যা চাওয়া হয়েছে, তার সঙ্গে নিজের দক্ষতা মিলিয়ে দেখান। নমুনা দেখে ধারণা নিতে পারেন, কিন্তু হুবহু নকল করবেন না। যে অভিজ্ঞতা আপনার নেই, তা কখনোই লিখবেন না।

পাঠানোর আগে আরেকবার পড়ুন

বানান, ব্যাকরণ আর প্রতিষ্ঠানের নাম মিলিয়ে দেখুন। ছোট ভুলও বড় ছাপ ফেলে। একবার মন দিয়ে পড়ে শুধরে নিন। চাইলে বন্ধু বা বড় কাউকে দিয়ে পড়িয়ে নিন। সিভির তথ্যের সঙ্গে চিঠির তথ্য মিলছে কি না, তা-ও দেখে নেবেন।

বিনয়ের সঙ্গে শেষ করুন

শেষ অনুচ্ছেদে সাক্ষাৎকারের আগ্রহ জানান। যেমন, ‘সুযোগ পেলে

আমার অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারলে আনন্দিত হব।’ কথায় থাকবে আত্মবিশ্বাস,

চাপ নয়। সিভি জুড়ে দিতে ভুলবেন না। ই-মেইলে আবেদন করলে সাবজেক্ট লাইন স্পষ্ট রাখুন। ফাইলের নামও ঠিকঠাক লিখুন।

কভার লেটার চাকরির নিশ্চয়তা দেয় না। তবে সুযোগ বাড়ায়। চিঠিতে থাকুক সততা, সরলতা আর নিজের যোগ্যতার

সুন্দর উপস্থাপন। এতেই নিয়োগকর্তার মনে আপনার জন্য জায়গা তৈরি হবে।

বিনা মূল্যে ‘কিউ-১’ জার্নালে গবেষণাপত্র প্রকাশের উপায়

ইউনিভার্সিটি অব কর্সিকার আইফেল বৃত্তি

ঢাবিতে পিস অ্যান্ড কনফ্লিক্ট স্টাডিজে প্রফেশনাল মাস্টার্সে ভর্তি

‎উচ্চশিক্ষাকে কর্মজীবনমুখী করার তাগিদ ইউজিসি চেয়ারম্যানের

প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচটি বিষয়কে অগ্রাধিকার: ববি হাজ্জাজ

লিসেনিং ও রিডিং দক্ষতা বাড়ান

একাদশ শ্রেণির ভর্তি: তৃতীয় ধাপে আবেদন করার সূচি প্রকাশ

জাল শিক্ষা সনদ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান এপিইউবির

রসায়নের রসে ডুব

লিংকন বিশ্ববিদ্যালয়ে ৫০ শতাংশ বৃত্তির সুযোগ